<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<!-- generator="FeedCreator 1.7.2" -->
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
    <channel>
        <atom:link href="http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/knowledge.rss" rel="self" type="application/rss+xml" />
        <title>knowledge</title>
        <description>knowledge</description>
        <link>http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/knowledge.php</link>
        <lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 22:02:37 +0100</lastBuildDate>
        <generator>FeedCreator 1.7.2</generator>
        <item>
            <title>বলিরেখা এখনই নয়</title>
            <link>http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/knowledge/বলিরেখা-এখনই-নয়</link>
            <description>&lt;b style=&quot;font-size: 17px;&quot;&gt;দৈনন্দিন জীবনে নানান দুঃশ্চিন্তা, খাদ্য অভ্যাসের ধরণ, বিভিন্ন 
প্রতিযোগিতা, কর্মজীবনের ব্যবস্তা, স্বাস্থ্য সমস্যা আপনার সৌন্দর্যকে খুব 
দ্রুতই ম্লান করে দেয়। মুখে দেখা দেয় বলিরেখা। চলে আসবে অকালবার্ধক্য। যা 
আপনার সতেজ ত্বক এবং জীবনীশক্তি ক্ষয়ে দেবে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;ফলে হারিয়ে যায় আপনার যৌবনের সুন্দর ত্বক এবং সৌন্দর্য। তাই এখনই সাবধান হয়ে যান। পরিহার করুন ওইসব অভ্যেস যা আপনাকে বুড়িয়ে দেয়।&lt;br&gt;&lt;br&gt;জেনে নিন কোন বিষয়গুলো আপনাকে সময়ের আগেই বৃদ্ধ করে ....&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;strong&gt;মিষ্টির প্রতি আসক্তি কমাতে হবে&lt;/strong&gt;
 : অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাদ্যের প্রতি আসক্তি আপনার মুখের উপর এক ধরণের 
আবরণ তৈরি করে। মিষ্টি জাতীয় খাদ্য ত্বকের উপর ‘গ্লাইকেশন’ সৃষ্টি করে। 
গ্লাইকেশন এমন আবরণ যা আপনাকে অকালবৃদ্ধে পরিণত করবে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;গ্লাইকেশন হলো চর্বি, প্রোটিন এবং শর্করা দিয়ে গঠিত এমন একটি টিস্যু যা পেশিকে অনমনীয় করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;এজন্য মিষ্টি জাতীয় খাদ্য গ্রহণে সতর্ক থাকুন। চকলেট কম খাবেন এবং শরীরে মিষ্টির চাহিদা পূরণে বেশি করে ফল খাবেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;strong&gt;একপাশে শুয়ে ঘুমানো যাবে না&lt;/strong&gt;
 : আপনি যদি সবসময় একপাশে শুয়ে ঘুমান তাহলে আপনার মুখে খুব দ্রুত বলিরেখা 
পড়বে। আপনাকে দেখাবে বৃদ্ধ। একপাশে সবসময় শুয়ে থাকলে আপনার মুখের উপর চাপ 
পড়ে ফলে আপনার মুখের উপর, ঠোটের চারপাশে এবং নাকের কাছে চাপ পড়ে 
ন্যাছোলেবিয়াল ভাঁজ তৈরি হয়। ফলে আপনি হাসলে আপনারে বলিরেখাগুলো আরও স্পষ্ট
 দেখাবে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;এজন্য এখন থেকেই ঠিকভাবে ঘুমান। বিভিন্ন দিকে পাশ ফিরে 
ঘুমানোর জন্য বালিশ আপনার হাঁটুর নিচে রাখতে পারেন। আলোর মধ্যে ঘুমালে 
আপনার পরিষ্কার ঘুম নাও হতে পারে, এক্ষেত্রে আপনার অজান্তে ভ্রু কুচকে যেতে
 পারে। তাই রাতে ঘরে আলো থাকলে স্লিপিং মাস্ক পরে ঘুমান।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;strong&gt;পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে&lt;/strong&gt;
 : বিভিন্ন দুঃশ্চিন্তা বা পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব আপনার হরমোনাল সমস্যা তৈরি 
করে। ফলে আপনার ত্বকে প্রোটিনের গঠনগুলোকে ভেঙে ফেলে। এজন্য আপনি 
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন যেমন- এ, সি এবং ই যেসব খাদ্যে পাওয়া যায় তা 
গ্রহণ করতে পারেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;এক্ষেত্রে আপনি ফল, সবজি, মাছ খেতে পারেন। আবার আকালবার্ধক্য রোধে ব্যবহার করতে পারেন বলিরেখা রোধক ক্রিম বা ময়েশ্চারাউজড ক্রিম।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;strong&gt;আপনার ত্বক শুষ্ক&lt;/strong&gt;
 : আপনার ত্বক যদি হয় শুষ্ক তাহলে কম বয়সেই বলিরেখা দেখা দেবে। শুষ্ক ত্বক 
আপনার চামড়ার বাইরে এবং ভেতরে উভয় দিকেই ক্ষতি করে। এজন্য আপনি প্রচুর পানি
 পান করুন এবং ত্বক সবসময় আদ্র রাখার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনার ত্বকের 
সঙ্গে মানানসই ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;strong&gt;ধুমপান পরিহার করুন&lt;/strong&gt; : ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এটা আমাদের সবারই জানা। ধুমপান করলে আপনার ঠোটেরে চারপাশে বলিরেখার সৃষ্টি হয়।&lt;br&gt;&lt;br&gt;এক্ষেত্রে
 আর একটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে ধুমপায়ীদের আশেপাশে যারা থাকে অর্থাৎ 
প্যাসিভ ধুমপায়ীর মধ্যেও বয়সের ছাপ পড়ে যায়। মনে রাখতে হবে আমার যতটা 
নিজেরা ধুমপান করি তার চেয়ে বেশি অন্য ধুমপায়ীদের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত 
হই। তাই সবাইকে ধুমপান পরিহারে অনুরোধ জানাতে হবে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;strong&gt;রৌদ্র পরিহার করুন&lt;/strong&gt;
 : অকালবার্ধক্যের জন্য রোদ খুবই ক্ষতিকর। সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মিগুলো 
ত্বকের উপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। মুখে বলিরেখা বাড়িয়ে তোলে, চামড়া 
কুচকে যায়, ত্বক বিবর্ণ হয়ে যায় এবং আঁটসাঁট হয়ে যায় চামড়া। যা আপনাকে 
অকালবার্ধক্যের দিকে ঠেলে দেবে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;এজন্য ত্বকে উপযুক্ত সানস্ক্রিন 
ক্রিম বা লোশান ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে রৌদ্রে বের হলে স্কার্ফ 
ব্যবহার করলেও আপনার ত্বক সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা পাবে।&lt;/b&gt;</description>
            <pubDate>Tue, 07 Feb 2012 04:58:44 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>Grave Of Fireflies [1988] যে মুভিটি চোখের পানি বের ...</title>
            <link>http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/knowledge/grave-of-fireflies-1988-যে-মুভিটি-চোখের-পানি-বের-করে-ছাড়ল</link>
            <description>&lt;br&gt;
Grave Of Fireflies [1988] :&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
&lt;img src=&quot;http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/moindu44_1291303139_2-Grave_of_Fireflies.jpg&quot; style=&quot;border: 1px solid #ccc;align:center;clear:both&quot;&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
&lt;a class=&quot;eng&quot; href=&quot;http://www.imdb.com/title/tt0095327/&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;&lt;font size=&quot;3&quot; face=&quot;solaimanlipi&quot;&gt;তথ্য জানতে&lt;/font&gt;&lt;/a&gt;   &lt;br&gt;
&lt;br&gt;
ডাউনলোড লিঙ্ক :&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
&lt;a class=&quot;eng&quot; href=&quot;http://stagevu.com/video/oqnsklzrrzga&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;&lt;font size=&quot;3&quot; face=&quot;solaimanlipi&quot;&gt;স্টেজভু লিঙ্ক&lt;/font&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
&lt;a class=&quot;eng&quot; href=&quot;http://www.kickasstorrents.com/hotaru-no-haka-grave-of-the-fireflies-1988-divx-anime-eng-sub-avi-t71242.html&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;&lt;font size=&quot;3&quot; face=&quot;solaimanlipi&quot;&gt;টরেন্ট লিঙ্ক&lt;/font&gt;&lt;/a&gt;  &lt;br&gt;
&lt;br&gt;
সময়টা তখন , ১৯৪৫ সাল । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখন চলছে জোরেসোরে । জাপানের 
বিভিন্ন শহরে প্রায়ই মিত্র বাহীনির বিমান হামলা চলছে । আর সেই হামলায় ধংস 
হচ্ছে শহরের আর গ্রামের বাড়িগুলো , মারা যাচ্ছে মানুষ । &lt;br&gt;
&lt;br&gt;
এমনি এক বিমান হামলার সময় ছোট বোন &lt;strong&gt;সেতসুকো&lt;/strong&gt; কে নিয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার দ্বায়িত্ব পড়ল ভাই &lt;strong&gt;সেইতা'র&lt;/strong&gt;
 । তাদের বাবা নেভিতে আছে । মা কিছুক্ষন আগেই বেরিয়ে গেছে , অন্যন্য 
প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে । সময় মত শেল্টারে পৌছাতে না পেরে সেইতা বোনকে নিয়ে 
আশ্রয় নিল পাহাড়ের পুরানো শেল্টারে । কিন্তু বোম্বিং শেষ হলে বের হয়ে দেখল ,
 তাদের গ্রামের কিছুই বাকি নেই , বেশির ভাগ মানুষই পুড়ে মারা গেছে ,  যারা 
মারা যায়নি তাদের ও বেশির ভাগ আহত । মায়ের খোজ পেল , জরুরী হাসপাতালে , 
সারা শরীর পুড়ে গেছে , বাঁচার সম্ভাবনা নেই । এদিকে ঘর পুড়ে ছাই , আর উপায় 
না পেয়ে , বোনকে নিয়ে উঠল এক আত্মীয়ের বাড়িতে । পরের দিনই মারা গেল মা । 
এদিকে আত্মীয়রাও , কয়েকদিনে তাদের উপর বিরক্ত হয়ে উঠল । এখন তাদের বের করে 
দিতে পারলেই বাঁচে । ছোট সেতসুকো সব সময় মায়ের কাছে যেতে চায় , মা মারা 
গেছে তা তো সে বুঝবে না । আবার বাবার কাছ থেকেও কোন চিঠি পাচ্ছে না সেইতা ।&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
&lt;img src=&quot;http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/moindu44_1291301480_1-Grave_of_Fireflies_2.jpg&quot; style=&quot;border: 1px solid #ccc;align:center;clear:both&quot;&gt; &lt;br&gt;
&lt;br&gt;
আত্মীয়ের খারাপ ব্যবহারে , সেইতা একদিন সিদ্ধান্ত নিল , পাহাড়ের পুরানো 
সেল্টারে গিয়েই থাকবে ছোট বোনকে নিয়ে, যেটা অনেকদিন আগেই পরিত্যক্ত হয়ে 
গিয়েছে । শুরু হল তাদের অন্য রকম জীবন । প্রথমে কয়েকদিন রেশনের চাল দিয়েই 
তাদের চলে গেল । কিন্তু এর পর শুরু হল কঠিন অংশ। চারিদিকে খাবারের অভাব , 
এর মধ্যে কার বাচ্চা না খেয়ে থাকল তা নিয়ে চিন্তা করার সময় কই । চুরি করে 
কয়েক দিন খাবার আনলেও। তাতে সুবিধা করতে পারল না সেইতা । এদিকে খাবারের 
অভাবে আস্তে আস্তে অসুস্থ হয়ে পড়ল ছোট বোন সেতসুকো । সেইতা না পারে অভাবের 
শহরে খাবার জোগাড় করতে আর না পারে অসুস্থ বোনের চিকিৎসা করতে । এমনি সময় 
সেইতা খবর পেল , তাদের বাবা জাহাজ আক্রমনে মারা গেছেন ।  কি করবে এখন সেইতা
 .....................।&lt;br&gt;
বোনকে তো বাচাতে হবে তাকে ।&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
&lt;img src=&quot;http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/moindu44_1291303241_3-grave_of_fireflies_xl_01.jpg&quot; style=&quot;border: 1px solid #ccc;align:center;clear:both&quot;&gt;&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
মুভি দেখে চোখ ভিজে উঠেছে , এমন মুভি অনেক আছে । কিন্তু একটা টূ-ডি কার্টুন
 দেখে অঝোরে কান্না আসবে কখনো ভাবতে পারিনি । অনেকেই এনিমেটেড মুভি পছন্দ 
করেননা , আর টু-ডি হলে তো আরো না , তবুও সবাইকে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি । 
মুভিটির মেকিং  , এবং কাহীনি সিকুয়েন্স এতো অসাধারন যে  , যে কারো ভাল 
লাগতে বাধ্য । &lt;br&gt;
&lt;br&gt;
আর একটা কথা , স্টেজভু'র যে লিঙ্কটা দিলাম সেই মুভিটা ভাষা ইংলিশ , কিন্তু টরেন্টের টা সম্ভবত জাপানী তবে ইংলিশ সাবটাইটেল আছে ।</description>
            <pubDate>Mon, 06 Feb 2012 09:24:54 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>চিলড্রেন অফ হ্যাভেন</title>
            <link>http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/knowledge/চিলড্রেন-অফ-হ্যাভেন</link>
            <description>&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;


&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/snigdho88_1271847056_1-children-of-heaven4.jpg&quot; style=&quot;border: 1px solid #ccc;align:center;clear:both&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
&lt;strong&gt;Bacheha-Ye Aseman&lt;/strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt; (&lt;em&gt;The Kids from Sky&lt;/em&gt;) &lt;br&gt;
Director &lt;strong&gt;:&lt;/strong&gt; &lt;em&gt;Majid Majidi&lt;/em&gt;&lt;br&gt;
Release: &lt;em&gt;1998 &lt;/em&gt;&lt;br&gt;
IMDb Rating: &lt;strong&gt;8.0&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
সম্পর্ক নাকি স্বর্গে তৈরী হয়।তাহলে শিশুদের সারল্য কোথায় সৃষ্টি হয়? 
নিশ্চয়ই স্বর্গের চেয়েও সুন্দর কোনো স্হানে- মর্ত্যে, এই মাটির 
পৃথিবীতে।আমাদের মতো &quot;বড়&quot;রা চাইলেও যা নিয়ন্ত্রণ অথবা গ্রহণ করতে 
পারিনা।সেই রকম এক ম্যাচিউরড সারল্যের গল্প নিয়েই মাজিদ মাজিদি'র &lt;em&gt;Children of Heaven&lt;/em&gt;।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
আলি (&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;em&gt;Amir Farrokh Hashemian&lt;/em&gt;) আর যাহ্‌রা (&lt;em&gt;Bahare Seddiqi&lt;/em&gt;)
 ইরানের এক শহরতলীর দরিদ্র অংশের বাসিন্দা।একদিন আলির কাছ থেকে তার বোনের 
একমাত্র জুতোজোড়া হারিয়ে যায়।এই দুঃসংবাদটি যাহ্‌রাকে জানালেও,নিজের 
বাবা-মার কাছ থেকে গোপন করে যায় আলি।কারণ সে জানে,এই অসময়ে এক জোড়া জুতো 
কিনে দেবার মতো সামর্থ্য তার বাবার নেই।এদিকে জুতো ছাড়া যাহ্‌রার পক্ষে 
স্কুলে যাওয়া সম্ভব নয়।সুতরাং,দু ভাই-বোনে ঠিক করে,পাল্টা-পাল্টি করে দুজনে
 জুতোজোড়া ব্যবহার করবে।সৌভাগ্যবশত,যাহ্‌রা মর্নিং আর আলি ডে শিফটের 
স্টুডেন্ট।এর পরই শুরু হয় জুতোজোড়া নিয়ে বিভিন্ন ঘটনা।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
এর মাঝে একদিন আলি জানতে পারে,প্রাদেশিক দৌড় প্রতিযোগিতার তৃতীয় পুরষ্কার 
একজোড়া স্নীকার (এক ধরণের কেডস্‌ টাইপ জুতো)।অনেক ঝামেলা করে আলি সে 
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।যাবার আগে আলি কথা দিয়ে যায়,পুরষ্কারের 
স্নীকারটা সে যাহ্‌রাকে দিয়ে দেবে।তাকে আর কষ্ট করতে হবে না।যাহ্‌রা জানতে 
চায়,&quot;যদি তুমি তৃতীয় হতে না পারো?&quot;।আলি জানতো সে পারবে,কারণ সে ভালো 
দৌড়ায়।তার সে বিশ্বাসের কথাই সে যাহ্‌রাকে জানিয়ে যায়।&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
আলি দৌড় শুরু করে।একসময় সে প্রথম পাঁচজনের মাঝেও চলে আসে।তখনই পাশের এক 
ছেলে আলিকে ফেলে দেয়।আলি উঠে আবার দৌড় শুরু করে।তার দুচোখে একটাই স্বপ্ন- 
বোনের জন্য একজোড়া চকচকে নতুন &lt;strong&gt;স্নীকার&lt;/strong&gt;।কিন্তু আলি তৃতীয় হতে ব্যর্থ হয়।.....&lt;br&gt;
&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/snigdho88_1271847121_3-children-of-heaven.jpg&quot; style=&quot;border: 1px solid #ccc;align:center;clear:both&quot;&gt;&lt;br&gt;
নিঃসন্দেহে বর্তমান যুগের অসাধারণতম মুভিগুলোর একটি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
আমি এই মুভিটি প্রথম দেখি সম্ভবত বিটিভি-তে।তখন মুভিটি এম্নিই ভালো 
লেগেছিল।পরবর্তীতে যখন আরো অনেক মুভির দুয়ার আমার সামনে খুলে গেলো,তারপর 
থেকে যতবারই এই মুভিটি দেখি একটা ব্যাপার আমাকে অবাক করে। &quot;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;strong&gt;Children of Heaven&lt;/strong&gt;
 কেন এত ভালো লাগে?&quot; এর স্টোরীলাইন অতি সাধারণ,চমকজাগানিয়া কিছু নয় (যদিও 
মুভিটা দেখার সময় আরও দুটি ক্লাসিক এর কথা মনে পড়ে যায়।একটি ভিত্তোরিও 
সিকা'র &quot;&lt;em&gt;Bicycle Thieves&lt;/em&gt;&quot; আরেকটি ইরানী জিনিয়াস কিয়ারোস্তামি'র একসময়কার অ্যাসিস্‌ট্যান্ট জাফর পানাহি'র &quot;&lt;em&gt;The White Balloon&lt;/em&gt;&quot;)।ইরানী
 পরিচালকদের অলস সৌন্দর্যের প্রতি (রিলাক্সড-ড্র্যাগিং শট/দীর্ঘ শট) একটা 
ঝোঁক আছে।মাজিদির মুভিতে সৌভাগ্যবশত সেটা নেই।তার পরিমিতিবোধ আসলেই 
প্রশংসনীয়।ক্যামেরার কাজও ভালো,কিন্তু অসাধারণ কিছু না।আমার মনে হয়,মুভিটির
 অদ্ভূত সারল্যই আমাকে মুগ্ধ করেছে।পর্দায় (এবং বাস্তবে) যে মেকি আবেগের 
ছড়াছড়ি দেখি,&lt;em&gt;Children of Heaven&lt;/em&gt; তার আশ্চর্য ব্যতিক্রম।আলি-যাহ্‌রা যেন আমাদের কাছের,খুব চেনা দুই দেবশিশু।(অট &lt;strong&gt;:&lt;/strong&gt; এম্নি আমার বাচ্চাদের অনেক ভালো লাগে।তার উপর মাজিদি আরও কিউট ভাবে এদের উপস্হাপন করেছেন।এটাও একটা কারণ হতে পারে।)&lt;br&gt;&lt;br&gt;
&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/snigdho88_1271847098_2-children-of-heaven-190-75.jpg&quot; style=&quot;border: 1px solid #ccc;align:center;clear:both&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
&lt;em&gt;Children of Heaven&lt;/em&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;

&lt;/span&gt; প্রথম ইরানী চলচিত্র হিসেবে অস্কারে শ্রেষ্ঠ 
মুভির (বিদেশী ভাষা) নমিনেশন পেলেও আরেকটি অল টাইম ক্লাসিক মুভির কাছে হেরে
 যায়।মুভিটি হলো রবার্তো বেনিগ্নি (&lt;em&gt;Roberto Benigni&lt;/em&gt;) -এর &lt;em&gt;La vita è bella (Life Is Beautiful)।&lt;/em&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
চিলড্রেন অফ হ্যাভেন ২০০৩ সালে &lt;em&gt;Pao ba hai zi (Homerun)&lt;/em&gt; নামে সিঙ্গাপুরে রিমেক করা হয়।থিম এক হলেও গল্পে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে।এটিও দেখার মতো একটি ভালো মুভি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
বলিউডের &quot;রিমেক কিং&quot; Priyadarshan&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;a class=&quot;eng&quot; href=&quot;http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/http://www.facebook.com/photo.php?pid=159281&amp;amp;id=107185945975887&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt; ঠিক এই গল্পটি&lt;/font&gt;&lt;/a&gt;   নিয়েই &lt;a class=&quot;eng&quot; href=&quot;http://www.bummbummbole.com/&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;Bumm Bumm Bole&lt;/font&gt;&lt;/a&gt; নামে একটি মুভি বানাচ্ছেন।আলি এর চরিত্রে &lt;em&gt;Taare Zameen Par&lt;/em&gt; -এর ঈশান (&lt;em&gt;Darsheel Safary&lt;/em&gt;) আর যাহ্‌রা এর চরিত্রে Z TV -এর &lt;em&gt;Aap Ki Antara &lt;/em&gt;সিরিয়ালের &lt;em&gt;Ziyah Vastani&lt;/em&gt; (Vasanti Twins -এর একজন) অভিনয় করবে। নাম শুনে ভয় হচ্ছে,প্রিয়দর্শন হয়তো মূল মুভির আবেদনটাই নষ্ট করে ফেলবেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
আপনার কোনো বন্ধু (যে কখনো ভালো মুভি দেখেনি,কিন্তু দেখতে চায়) যদি মুভির নেশা জীবনে জড়াতে চায়,তার সূচনা হোক &lt;em&gt;Children of Heaven&lt;/em&gt; দিয়ে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
কিয়ারোস্তামি,পানাহি,মাখমালবাফ পরিবার এত সব নামের ভীড়ে মাজিদি একটু চাপা 
পড়ে গেছেন কিনা কে জানে।তবে,তার প্রেজেন্টেশন অসাধারণ।তার কাজগুলোর মাঝে 
&quot;স্টোরীটেলিং&quot; টাইপ ভাব আছে।দর্শকের মনে হবে,মাজিদি যেন ক্যামেরা দিয়ে খুব 
সুন্দর একটা গল্প শোনাচ্ছেন।&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;em&gt;জীবনের গল্প&lt;/em&gt;।&lt;/span&gt;</description>
            <pubDate>Mon, 06 Feb 2012 09:21:25 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য</title>
            <link>http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/knowledge/প্রাচীন-পৃথিবীর-সপ্তাশ্চর্য</link>
            <description>&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;বিজ্ঞানীরা
 মানুষের তৈরি এই সমস্ত আশ্চর্য জিনিসগুলোকে সময়ের হিসেবে কয়েকটি যুগে ভাগ 
করেছেন। এগুলো হলো- প্রাচীন যুগ, মধ্য যুগ এবং আধুনিক যুগ। আজকে আমরা 
প্রাচীন যুগের রহস্যঘেরা সেইসব আশ্চর্য নির্মাণের কথাই শুনবো। চল তাহলে সেই
 আর্শ্চয সুন্দর রোমাঞ্চকর প্রাচীন পৃথিবী থেকে খানিক বেড়িয়ে আসি।
		&lt;/span&gt;
	


	&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp;&quot; id=&quot;second_green_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;second_green_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;গিজার পিরামিড&lt;br&gt;&lt;br&gt;
মরুভূমির একটি দেশ- মিশর। প্রাচীনকালে এই মিশরেই গড়ে উঠেছিলো এক উন্নততর
সভ্যতা। প্রাচীন মিশরে ফারাও রাজবংশের রাজারা একসময় রাজত্ব করতেন । সেসময়ে
মিশরের মানুষেরা বেশ কিছু অদ্ভুত বিষয়ে বিশ্বাস করতো। তারা বিশ্বাস করতো
পৃথিবীতে মানুষের বাস খুব স্বল্প সময়ের জন্য, আর মৃত্যুর পরবর্তী জীবন হলো
অনন্ত সুখের। তাদের বিশ্বাস ছিলো- মৃত্যুর পর তাদের মৃতদেহ যদি অক্ষত
অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়, তাহলে তারা পরলোকে অনন্ত শান্তির জীবন যাপন করতে
পারবে। &lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/MulRochona2904PyramidGiza.gif&quot; alt=&quot;MulRochona2904PyramidGiza.gif&quot; title=&quot;MulRochona2904PyramidGiza.gif&quot;&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;
মিশরীয়রা মৃতদেহ সংরক্ষণের একটি বিশেষ পদ্ধতি আবিস্কার করেছিলো, যাতে করে
তারা প্রায় অক্ষত অবস্থাতেই মৃতদেহ সংরক্ষণ করতে পারতো। এই বিশেষ পদ্ধতিতে
সংরক্ষিত মৃতদেহকে বলা হয়- মমি। এই মমিকে ফারাওরা বিশাল এবং সুরক্ষিত
সমাধির মধ্যে রাখতো, যাতে এর সামান্য অংশটুকু ও নষ্ট না হয়। এই সমাধিটি
আমাদের কাছে পিরামিড নামে পরিচিত। &lt;br&gt;&lt;br&gt;
পিরামিড দেখতে অনেকটা ত্রিভুজের মতো। এই পিরামিডের সবচে বড় এবং প্রাচীনটি
স্থাপনাটির নাম হলো- গিজার পিরামিড। গিজার পিরামিডকে ফারাও রাজা খুফুর
পিরামিড ও বলা হয়ে থাকে। এই পিরামিডটি তৈরি করা হয়েছিলো প্রায় ৪৫০০ বছর
আগে। গিজার পিরামিড এতোটাই বিশাল যে হাজার হাজার শ্রমিকের এটি তৈরি করতে
সময় লেগেছিলো প্রায় ২০ বছর । মাত্র ২০০ বছর আগেও গিজার পিরামিডই ছিলো
পৃথিবীর সবচাইতে উঁচু স্থাপনা। এটি নির্মাণ করতে লেগেছিলো প্রায় বিশ লক্ষ
পাথরের টুকরো, যার একেকটির ওজন প্রায় বর্তমানের একটি গাড়ির সমান। প্রাচীন
পৃথিবীর আশ্চর্যগুলোর মধ্যে এই স্থাপনাটিই এখনো টিকে আছে পৃথিবীতে।&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;


	&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp;&quot; id=&quot;third_olive_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;third_olive_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান &lt;br&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/MulRochona2904hangingGarden.gif&quot; alt=&quot;MulRochona2904hangingGarden.gif&quot; title=&quot;MulRochona2904hangingGarden.gif&quot;&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;
যেকোনো বাগানে গিয়ে বিভিন্ন রঙের ফুল, প্রজাপতি এসব দেখতে কার না ভালো
লাগে! আর বাগানটি যদি হয় মাটি থেকে উঁচুতে, অনেকটা উপরে, তাহলে তো কথাই
নেই! এরকমই একটি বাগান হলো ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান। আমরা সবাই জানি ইরাক
দেশটির অধিকাংশ জুড়েই রয়েছে মরুভূমি। অনেক দিন আগে এই দেশেই ব্যাবিলন নামে
একটি শহর ছিলো। এ শহরটি গড়ে উঠেছিলো ইউফ্রেটিস নদীর তীরে। সেই সময়
ব্যাবিলন শহরের রাজা ছিলেন নেবুচ্যাডনেজার, অদ্ভুত নাম তাই না!। তিনি
একদিন এক অদ্ভুত পরিকল্পনা করলেন। স্ত্রীর বিনোদনের জন্য মরুভূমির ভিতরেই
একটি উদ্যান তৈরির কথা ভাবলেন। তোমরা সবাই জানো যে, মরুভূমিতে গাছ বাঁচানো
এক মহা সমস্যার কথা। কারণটা সেখাকার পানির স্বল্পতা। কাজেই স্বাভাবিকভাবে
তো সেখানে বাগান তৈরি করা এক কথায় অসম্ভব। এজন্যই রাজা এক বিশেষ পদ্ধতিতে
বাগান তৈরির পরিকল্পনা করলেন। প্রথমেই তিনি পাহাড়ের মতো একটি জায়গা তৈরি
করলেন। তারপর এই পাহাড়কে কয়েকটি তলায় ভাগ করে প্রতিটি তলার চারপাশে
বারান্দা তৈরি করলেন। এই বারান্দাতেই নানা রঙের ফুল ও শোভবর্ধনকারী গাছ
লাগানো হয়েছিলো। এই উদ্যানটি দেখলে মনে হতো যে গাছগুলো সব শূন্যে ভেসে
আছে। মরুভূমিতে কোনো গাছ জন্মানো দুঃসাধ্য প্রায়। সেই জায়গায় এমন সুন্দর
একটি বাগান তৈরি রীতিমতো আশ্চর্যের বিষয় ছিলো বৈকি। এই বাগানটি অবশ্য অনেক
আগেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।&amp;nbsp; কয়েক বছর আগে কিছু বিজ্ঞানী ব্যাবিলনের এই
উদ্যানটির কিছু ভাঙা দেয়াল খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;


	&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp;&quot; id=&quot;fourth_pest_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;fourth_pest_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box_container&quot;&gt;
				&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;আর্টেমিসের মন্দির&lt;br&gt;&lt;br&gt;
প্রাচীন যুগে গ্রীস এবং রোমের মানুষরা বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা করতো।
প্রাচীন গ্রীসের এক দেবীর নাম ছিলো- আর্টেমিস। রোমানরা আবার তাকে বলতো
দেবী ডায়ানা। দেবী আর্টেমিস বা ডায়ানা ছিলেন শিকারের দেবী। সেই যুগে
বেশিরভাগ মানুষ শিকার করেই জীবিকা নির্বাহ করতো বলে দেবী আর্টেমিসের
গুরুত্ব ছিলো অনেক। এজন্যই গ্রিকরা খ্্রীষ্টপূর্ব ৮০০ অব্দে ইফিসাস নগরীতে
দেবী আর্টেমিসের মন্দির নির্মাণ করে। এই ইফিসাস নগরীটি বর্তমানে আমাদের
কাছে পরিচিত তুরস্ক হিসেবে। &lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/MulRochona2904templeArtemis.gif&quot; alt=&quot;MulRochona2904templeArtemis.gif&quot; title=&quot;MulRochona2904templeArtemis.gif&quot;&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;
তৈরি হবার পর থেকে বহুবার এই মন্দিরটি ধ্বংস হয়ে যায়। আবার প্রতিবারই নতুন
করে এটি গড়ে তোলা হয় ঠিক সেই এক জায়গাতেই। প্রথমবার আর্টেমিসের মন্দির
তৈরি করতে সময় লেগেছিলো প্রায় ১২০ বছর। আর্টেমিসের মন্দির নিয়ে একটি গল্প
প্রচলিত আছে। খ্রীষ্টপূর্ব ৫৫০ অব্দে এক লোক বিখ্যাত হবার লোভে নাকি
আর্টেমিসের মন্দিরটি পুড়িয়ে ফেলেছিলো। মন্দির পুড়িয়ে দেবার পর ইফিসাসে আইন
করে ঐ লোকের নাম উচ্চারণ করাই নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। ঐ লোকটির নাম উচ্চারণ
করার একটিই শাস্তি ছিলো, তা হলো মৃত্যুদন্ড! নামটা শুনতে ইচ্ছা করছে তাই
না? এখন অবশ্য তার নামটি নির্ভয়েই নেয়া যায়, কেউ তো এখন আর মৃত্যুদ- দেবে
না! লোকটির নাম ছিলো হেরোসট্রেইটাস। &lt;br&gt;&lt;br&gt;
খ্রীষ্টপূর্ব ২০০ অব্দে গথ’রা মন্দিরটি ভেঙে দেবার পর আর সেটি নির্মাণ করা
সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ভেঙে ফেলার শত শত বছর পর, ১৮০০ খ্রীষ্টাব্দে ব্রিটিশ
মিউজিয়ামের একটি অনুসন্ধানী দল মন্দিরটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছিলো।&lt;/span&gt;
&lt;/div&gt;
			&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;


	&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp;&quot; id=&quot;fifth_green_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;fifth_green_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box_container&quot;&gt;
				&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;অলিম্পিয়ার জিউসের মূর্তি&lt;br&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/MulRochona2904zeus.gif&quot; alt=&quot;MulRochona2904zeus.gif&quot; title=&quot;MulRochona2904zeus.gif&quot; align=&quot;right&quot;&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;
গ্রীকদের প্রধান দেবতার নাম জিউস। তিনি সব দেব-দেবীর তুলনায় অনেক বেশি
শক্তিশালী। খ্রিষ্টপূর্ব ৪৩৫ অব্দে গ্রীকরা অলিম্পিয়া নগরীতে মন্দির
নির্মাণ করে সেখানে দেবতা জিউসের একটি বিশাল মূর্তি স্থাপন করে। এটি
উচ্চতায় ছিলো প্রায় ৪০ ফুট। এই বিশাল মূর্তিটি দেখতেও ছিলো অসাধারণ।
মূর্তিটির বিশালতা ও সৌন্দর্যের কারণেই এটি প্রাচীন পৃথিবীর আশ্চর্যগুলোর
মধ্যে একটি। জিউসের মন্দির তৈরির আরো একটি বিশেষ উদ্দেশ্য ছিলো- অলিম্পিক।
পৃথিবীর বিশাল এই খেলার আসরটিকে দেবতা জিউসের আশীর্বাদ পুষ্ট করতেই জিউসের
এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিলো। তবে বর্তমানে মূর্তিটির খুব সামান্য
অংশই অবশিষ্ট আছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
			&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;


	&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp;&quot; id=&quot;sixth_blue_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;sixth_blue_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;রোডস এর মূর্তি &lt;br&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/MulRochona2904Rhodes.gif&quot; alt=&quot;MulRochona2904Rhodes.gif&quot; title=&quot;MulRochona2904Rhodes.gif&quot; align=&quot;right&quot;&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;
তোমরা তো মহাবীর আলেকজান্ডারের কথা সবাই জানো। পৃথিবীর ইতিহাসে
সর্বশ্রেষ্ঠ বীর হলেন আলেকজান্ডার। তিনি বেঁচেছিলেন মাত্র ২৩ বছর। এই অল্প
সময়েই তিনি পৃথিবীর অনেক অংশ জুড়ে তার রাজ্য বিস্তার করেছিলেন। তার
রাজ্যের মধ্যে আটলান্টিক সাগরের মেডিটেরিয়ান অঞ্চলের রোডস দ্বিপটিও ছিলো।
রোডস দ্বিপটি ছিলো প্রাচীন গ্রীস দেশের একটি অংশ। এই দ্বিপটি ছিলো ব্যবসা
বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু। মহাবীর আলেকজান্ডার অল্প বয়সেই কোন এক পোকার
কামড়ে&amp;nbsp; খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দে মারা যান। আলেকজান্ডার এর মৃত্যুর পর তার
তিন সেনাপতির মধ্যে রোডস দ্বিপটি দখল করা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। রোডস
দ্বীপের মানুষ জেনারেল টলেমির পক্ষে ছিলো। দুর্ভাগ্যবশত জেনারেল টলেমি
মিশর দখল করলেও গ্রীসের এই অংশটি দখল করতে পারেন নি। অন্য একজন জেনারেল
দ্বীপটির দখল নেন। কিন্তু রোডস দ্বীপের মানুষ এই জেনারেলকে সমর্থন না করায়
তিনি বেদম চটে যান। তিনি তার ছেলেকে রোডসের মানুষদেরকে শায়েস্তা করতে
বলেন। শায়েস্তা করতে এসে ঐ জেনারেলের ছেলে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে জেনারেল
টলেমি মিশর থেকে একটি সৈন্য দল পাঠান দ্বীপটিকে শত্রু মুক্ত করতে। তখন
রোডসের জনগণ ও সৈন্যবাহিনী মিলে শহরকে শত্রু মুক্ত করেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
শত্রুদের ফেলে দেওয়া অস্ত্র ও অন্যান্য ফেলে দেয়া জিনিস গলিয়ে প্রচুর তামা
পেয়েছিলো রোডস এর মানুষরা। এই তামা দিয়ে তখন তারা সূর্য্য দেবতা হিলিয়াসের
এক বিশাল মূর্তি নির্মাণ করে। মূর্তিটি ছিলো ১১০ ফিট উঁচু। এর
ভিত্তিপ্রস্তরের উচ্চতা ছিলো ৫০ ফিট। এই সুবিশাল মূর্তিটি তৈরী করতে সময়
লেগেছিলো সুদীর্ঘ ১৫ বছর । খ্রীষ্টপূর্ব ২২৯ অব্দে এক ভূমিকম্পে এটি ধ্বংস
হয়ে যায়। পরবর্তীতে আর সংস্কার করা হয়নি। এই আশ্চর্য মূর্তিটি শুধু
মানুষদের বিস্মিতই করেনি, স্থাপত্যবিদদেরকেও অনুপ্রেরণা দিয়েছিলো। ফলে
রোডসের সেই আশ্চর্য মূর্তির ছায়াটি আমরা যেন নিউ ইয়র্কে অবস্থিত স্ট্যাচু
অফ লিবার্টির ভিতরে দেখতে পাই।&lt;/span&gt;
&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;


	&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp;&quot; id=&quot;seventh_red_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;seventh_red_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর&lt;br&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/MulRochona2904lighthouse.gif&quot; alt=&quot;MulRochona2904lighthouse.gif&quot; title=&quot;MulRochona2904lighthouse.gif&quot; align=&quot;right&quot;&gt;&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 17px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;
সমুদ্রের তীরে পাহাড় বা কোন টাওয়ারের উপর বাতিঘর তৈরি করা হয়। জিজ্ঞেস
করতেই পারো যে কি কাজ এই বাতিঘরের? বাতিঘরের কাজ হলো রাতের অন্ধকারে কোনো
জাহাজকে জাহাজঘাটায় নিরাপদে ভেড়ানোর জন্য পথ দেখানো, যাতে ডুবো পাহাড়ের
সঙ্গে জাহাজটি ধাক্কা না খায়। প্রাচীনকালে উঁচু কোনো জায়গায় কাঠ পুড়িয়ে
আলো তৈরি করে বাতিঘর নির্মাণ করা হতো। প্রাচীন পৃথিবীর সবচে উঁচু ও
বিস্ময়কর বাতিঘরটির নাম হলো আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর। কোথায় এটি? শোনো তবে,
ভূমধ্যসাগরের উপকূলে মিশরের ফারোস নামের এক দ্বীপ ছিলো । সেখানে
আলেকজান্দ্রিয়ার একটি বিখ্যাত জাহাজঘাটায় খ্রীষ্টপূর্ব ২৯০ অব্দে একটি
বিশাল বাতিঘর নির্মিত হয়। বাতিঘরটির উচ্চতা ছিলো প্রায় ৩০০ ফুট।
আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর শুধু রাতে আসা জাহাজগুলোকে নিরাপদে ঘাটে ভিড়াবার
ব্যবস্থাই করতো না, এটি সেই সময় একটি দর্শনীয় জায়গাও ছিলো। পৃথিবীর
বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকরা এটি দেখতে আসতেন। বাতিঘরের নিচতলায় তাদের
জন্য খাবারের দোকানও ছিলো। ১৫০০ খ্রীষ্টাব্দের দিকে ভূমিকম্পে বাতিঘরটি
পড়ে যায় বলেই বিজ্ঞানীরা মনে করেন। এখনও ডুবুরীরা ভূমধ্যসাগরে এই বাতিঘরের
ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বেড়ায়।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;


	
					হ্যালিকারনেসাস এর সমাধি মন্দির&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
		&lt;/span&gt;
			
				&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;
&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/MulRochona2904Halicarnessus.gif&quot; alt=&quot;MulRochona2904Halicarnessus.gif&quot; title=&quot;MulRochona2904Halicarnessus.gif&quot; align=&quot;right&quot;&gt;&lt;br&gt;
এশিয়া মাইনরের ছোট্ট একটি রাজ্য, রাজা মোসালাস তা শাসন করতেন। সেই রাজ্যের
রাজধানীর নাম ছিলো হ্যালিকারনেসাস। রাজা মোসালাসের স্ত্রী ছিলেন রাণী
আর্টেমিসিয়া। খ্রীষ্টপূর্ব ৩৫৩ অব্দে রাজা মোসালাস হঠাৎ মারা গেলে রাণী
আর্টেমিসিয়া তার স্বামীর জন্য একটি স্মৃতিসৌধ তৈরী করবেন বলে সিদ্বান্ত
নেন। তিনি তৈরি করেন পৃথিবীর মধ্যে সবচে চমকপ্রদ স্মৃতিসৌধটি। সম্পূর্ণ
মারবেল পাথরের তৈরী এই স্মৃতিসৌধটি ছিলো খুবই সুন্দর ও আর্কষণীয় । অনেক
দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এই আশ্চর্য স্মৃতিসৌধটি এক পলক দেখার জন্য আসতেন।
এই সমাধিটি উচ্চতায় ছিলো প্রায় ১৩৫ ফুট। এর উপরের দিকে মোট ৩৬ টি স্তম্ভ
ছিলো। দুটি স্তম্ভের মাঝে একটি করে মূর্তি ছিলো। আর সমাধিটির ছাদটি ছিলো
পিরামিড আকৃতির। সম্ভবত কোনো বড়ো ধরনের ভূমিকম্পে এটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো।
বর্তমানে স্মৃতিসৌধটির মাত্র কয়েকটি টুকরো অবশিষ্ট আছে।&lt;/span&gt;</description>
            <pubDate>Tue, 24 Jan 2012 10:38:36 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>আমাদের ক্রিকেটের ৩ কিংবদন্তী</title>
            <link>http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/knowledge/আমাদের-ক্রিকেটের-৩-কিংবদন্তী</link>
            <description>&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;আমাদের ক্রিকেটের ৩ জন কিংবদন্তীর গল্প, 
যারা আমাদের ক্রিকেট দলে খেলেছেন অনেক দিন। যারা এখনো আমাদের ক্রিকেটের 
সঙ্গেই আছেন। কি, তাদের নাম শুনতে ইচ্ছে করছে? শুধু নাম শুনে আর কি হবে, 
চলো একেবারে তাদের গল্পই শুনে আসি।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story1703a.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;460&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;
&lt;/span&gt;

&lt;/div&gt;&lt;p style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 15px;&quot;&gt;&lt;strong&gt;আকরাম খান&lt;/strong&gt;&lt;/font&gt;&lt;br&gt;
আকরাম খানকে যারা চেনো, তারা তাকে চেনো আমাদের দলের নির্বাচক হিসেবে, তাই 
না? তিনি কিন্তু আমাদের দলের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড় ছিলেন। আর 
তিনি সবচেয়ে বিখ্যাত ছিলেন কি জন্যে জানো? ছক্কা মারার জন্য। এই উঁচু উঁচু 
সব ছয় মারতেন তিনি। আমাদের দেশের লিগে তো তিনি ছিলেন রীতিমতো বোলারদের জন্য
মূর্তিমান আতঙ্ক।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে আকরাম খানের অভিষেক হয় ১৯৮৮ সালে। আর পাকিস্তানের 
সঙ্গে খেলাটাও হয়েছিলো তার নিজের জেলাতেই, চট্টগ্রামে। ছক্কা মারার জন্য 
বিখ্যাত হলেও তিনি কিন্তু আবার মিডিয়াম পেস বোলিংও করতেন। আর সেই প্রথম 
ম্যাচে তিনি আবার ব্যাটিংয়েই নেমেছিলেন ৮ নম্বরে। কিন্তু ৮ নম্বরে নেমেছেন 
বলে কি আর তিনি রান করবেন না? সেই আমলেই পাকিস্তানের বোলিংয়ের বিরুদ্ধেও 
তিনি মাত্র ৩৫ বলে করলেন ২১ রান। আউটও কিন্তু তিনি সেদিন হননি, অপরাজিত 
ছিলেন। ভাবছো, এ আর এমন কি? উঁহু, ওই তো ভুল করলে। তখন তো পাকিস্তান 
বাংলাদেশের জন্য রীতিমতো দুর্ধর্ষ প্রতিপক্ষ। তার উপর তখন এ-ও ছিলো ভীষণই 
মারকুটে ইনিংস। ভেবে দেখো, সেটা ছিলো ১৯৮৮ সাল। তখনো তো এখনকার মতো মারকুটে
ক্রিকেট শুরুই হয়নি।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story1703b.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;300&quot; align=&quot;left&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;আকরাম খান তার ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি করেন ১৯৯৭ সালে। কার বিরুদ্ধে জানো?
ঐ পাকিস্তানেরই বিরুদ্ধে। আর তার ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন কেনিয়ার
সঙ্গে, ১৯৯৯ সালে। আর ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারানোর সেই 
মহাকাব্যের কথা মনে আছে তো? সেদিনও কিন্তু তিনি পাকিস্তানের বোলারদের বেধড়ক
পিটিয়ে ছিলেন। করেছিলেন ৪২ রান।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
তবে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে জৌলুসপূর্ণ টুর্নামেন্ট ছিলো ১৯৯৭ সালের আইসিসি
ট্রফি। ঐ টুর্নামেন্টে তিনি একাই করেছিলেন ১৮৫ রান। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয়
রাউন্ডের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ মুখোমুখি হয়েছিলো নেদারল্যান্ডের। এই কয়দিন 
আগেই যাকে আমরা হাসতে হাসতে হারালাম, ওরাও কিন্তু তখন আমাদের কঠিন 
প্রতিপক্ষই ছিলো। আর ফাইনালে যেতে হলে সেই ম্যাচে আমাদেরকে জিততেই হবে। ও, 
তোমাদেরকে তো বলাই হয়নি, সেই টুর্নামেন্টে আকরামই কিন্তু ছিলেন আমাদের 
অধিনায়ক। তো প্রথমে ব্যাট করে ওরা ১৭১ রানে অলআউট হয়ে গেলো। এদিকে আবার 
বৃষ্টির জন্য খেলার দৈর্ঘ্যও গেলো কমে। ৩৩ ওভারে করতে হবে ১৪১ রান। অথচ 
মাত্র ১৫ রানেই পড়ে গেলো আমাদের প্রথম ৪ উইকেট। সেখান থেকে একাই পুরো দলকে 
টেনে নিয়ে গেলেন তিনি। ৬৮ রান করে অপরাজিত তো থাকলেনই, দলকে জিতিয়ে দিলেন ৮
বল হাতে রেখেই। ঐ টুর্নামেন্টের ঐতিহাসিক সেই ফাইনালেও কিন্তু তিনি 
মারকুটে ভ‚মিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বৃষ্টিবিঘিœত সেই ম্যাচে জয়ের জন্য 
বাংলাদেশকে করতে হতো মাত্র ২৫ ওভারে ১৬৬ রান। সেদিন তিনি ২২ রান করেছিলেন 
মাত্র ২৭ বলে। আর সেই ফাইনালে যখন পাইলট ছক্কা মেরে আমাদের জয় নিশ্চিত 
করলো, তখনই নিশ্চিত হলো আমাদের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলা। সেটা কার 
নেতৃত্বে হয়েছিলো? বললামই তো, সেই টুর্নামেন্টে আমাদের অধিনায়কও ছিলেন এই 
আকরাম খানই।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;
&lt;/p&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
		&lt;/span&gt;
	


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot; id=&quot;third_olive_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;third_olive_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story1703c.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;350&quot; align=&quot;right&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;সব মিলিয়ে তিনটা আইসিসি ট্রফিতে খেলে তিনি প্রায় ৩৭ গড়ে করেছেন ৪৭৬ রান। 
শুধু একবার ভেবে দেখো, আমাদের এখনকার জাতীয় দলের কোনো ব্যাটসম্যানেরও এতো 
ভালো গড়ই নেই! আর বোলার হিসেবে তো ছিলেন আরো ভয়ংকর। মাত্র ১৯ গড়ে নিয়েছিলেন
১০ উইকেট। &lt;br&gt;&lt;br&gt;
ও, আরো একটা কথা। বাংলাদেশ প্রথম একদিনের ম্যাচ যেদিন জিতেছিলো, সেই গল্প 
জানো তো? কেনিয়ার সঙ্গে ১৯৯৮ সালের সেই ম্যাচেও তিনিই ছিলেন আমাদের 
ক্যাপ্টেন। আর রফিক আর আতহার আলী খান ওপেনিংয়ে শতরানের জুটি গড়ার পর তার ৩৯
রানের উপর ভর করেই সেদিন বাংলাদেশ ২৩৭ রানের বড়োসড়ো স্কোর গড়েছিলো।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
মোটমাট ৪৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে তিনি ২৩.২৩ গড়ে করেছেন ৯৭৬ রান। অল্পের জন্য
১০০০ রান করতে না পারলেও করেছেন ৫টি ফিফটি। তবে বাংলাদেশ যখন টেস্ট খেলতে 
শুরু করলো, ততোদিনে তো তিনি একেবারে বুড়িয়েই গেছেন। তাই তার টেস্ট 
ক্যারিয়ার খুব একটা বড়োও হয়নি। মাত্র ৮টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। আর সেগুলোতে 
তেমন একটা ভালোও খেলতে পারেননি। মাত্র ১৬ গড়ে করেছেন ২৫৯ রান।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot; id=&quot;fourth_pest_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;fourth_pest_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box_container&quot;&gt;
				&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story1703d.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;350&quot; align=&quot;left&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 15px;&quot;&gt;&lt;strong&gt;আমিনুল ইসলাম বুলবুল &lt;/strong&gt;&lt;/font&gt;&lt;br&gt;
আশির দশকে বাংলাদেশে ছিলো ফুটবলের জয়জয়কার। এখন তোমরা যেমন ক্রিকেটের পাগল,
তখন সবাই ছিলো তেমনি ফুটবলের পাগল। আর তাই বুলবুলও মূলত ফুটবলই খেলতেন। 
তিনি খেলতেন ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবে। আর তখন ভিক্টোরিয়াও ছিলো 
শীর্ষস্থানীয়ই একটি ক্লাব। পাশাপাশি আজাদ বয়েজে তিনি ক্রিকেটও খেলতেন। 
কিন্তু ১৯৮৮ সালে&amp;nbsp; এক ফুটবল ম্যাচে তার হাঁটুর লিগামেন্ট গেলো ছিঁড়ে। আর 
তখনই তিনি ফুটবল ছেড়ে ক্রিকেট খেলার পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। খালি 
একবার চিন্তা করে দেখো, সে সময় যদি তার হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে না যেতো, আর
তিনি ফুটবলই খেলতে থাকতেন, তবে আমাদের ক্রিকেটের কী ক্ষতিটাই না হতো! কী 
ক্ষতি হতো ভাবছো? আগে তাহলে বুলবুলের গল্প শোনো, তবেই বুঝবে!&lt;br&gt;&lt;br&gt;
বাংলাদেশের পক্ষে তার ওয়ানডে অভিষেক হয় ১৯৮৮ সালে ভারতের বিপক্ষে। ১৯৯৭ 
সালের সেই আইসিসি ট্রফিতে বুলবুলের পারফর্মেন্সও কিন্তু খুবই ভালো ছিলো। 
দুইটি ফিফটিসহ ৩১ গড়ে ২১৭ রান করে তিনিই ছিলেন সেই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। আর এই দুই ফিফটির একটি আবার ছিলো সেমিফাইনালে 
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। আর সেই ঐতিহাসিক ফাইনালে তো তিনি ছিলেন একেবারে 
রণমূর্তিতে! খেলেছিলেন ৩৭ বলে ৩৭ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
তবে তার ক্যারিয়ারের সব কারিশমা তিনি জমিয়ে রেখেছিলেন আমাদের ক্রিকেটের 
স্বর্ণ যুগের জন্য। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে তিনিই ছিলেন আমাদের অধিনায়ক। আর তার 
অধিনায়কত্বেই রচিত হয়েছিলো পাকিস্তান বধের সেই অমর ক্রিকেট কাব্য। ভাবছো, 
তিনি তো ব্যাটিং-বোলিংয়ে করেননি তেমন কিছুই। কিন্তু দলকে নেতৃত্ব দেয়ার 
ব্যাপার আছে না? ওটাই কিন্তু দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কঠিন কাজ। আর সেই
ম্যাচে বুলবুল কিন্তু একটা অসাধারণ রান আউটও করেছিলেন।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
বুলবুল তার জীবনের, এবং আমাদের ক্রিকেটের ইতিহাসেরও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ 
ইনিংস খেলেন ২০০০ সালের নভেম্বরে। ১৩ নভেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ-ভারতের টেস্ট 
ম্যাচ দিয়ে আমাদের দেশের ক্রিকেট টেস্ট আঙিনায় প্রবেশ করলো। আর সেই প্রথম 
ম্যাচেই বুলবুল একাই ব্যাটিং করলেন প্রায় ৯ ঘণ্টা! যখন আউট হলেন, তখন তার 
নামের পাশে রান ১৪৫। কোনো দেশের প্রথম টেস্টে যেটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ 
ইনিংস। তার সেই ইনিংসের উপর ভর করে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টেস্ট ইনিংসেই 
করলো কাঁটায় কাঁটায় একেবারে ৪০০ রান।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story1703e.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;350&quot; align=&quot;right&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;তবে তিনি টেস্টে তার এমন অসাধারণ ফর্ম পরে আর ধরে রাখতে পারলেন না। তারপরও 
তার ফর্ম কখনোই একেবারে ফেলে দেয়ার মতোও ছিলো না। ১৩ টেস্টে তিনি ২১.২০ গড়ে
রান করেছিলেন ৫৩০, যাতে সেই ক্লাসিক সেঞ্চুরি ছাড়াও ছিলো আরো দুটি ফিফটি। 
আর ৩৯ ওয়ানডেতে ২৩.৩৫ গড়ে করেছিলেন ৭৯৪ রান। ওয়ানডেতে অবশ্য তিনি কোনো 
সেঞ্চুরি করতে পারেননি, তবে ৩টি ফিফটি করেছিলেন। তারপরও তাকে দল থেকে বাদ 
দিয়ে দেয়া হয়। কারণ, তখন বাংলাদেশ দলকে তারুণ্য নির্ভর করে সাজানো হচ্ছিলো।
আর তাই বুলবুলকে সরে যেতে হলো। আর অভিমানে তিনিও একেবারে অবসরই নিয়ে 
নিলেন। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে নিউ সাউথ ওয়েলস ইউনিভার্সিটিতে জিওফ লসন আর 
মাইকেল ¯ø্যাটারের মতো ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোচ কাম ক্রিকেটার হিসেবে খেলতে 
লাগলেন। &lt;br&gt;&lt;br&gt;
কিন্তু দেশ ছেড়ে কি আর বুলবুল বেশিদিন বাইরে থাকতে পারেন? ২০০৬ সালে আবার 
ফিরে এলেন দেশের টানে। ততোদিনে কোচিংয়ের উপর তার অনেকগুলো কোর্সও করা হয়ে 
গেছে। দেশে এসে আবাহনীর কোচিংয়ের দায়িত্ব নিলেন। নিয়েই ৭ বছর পর আবাহনীকে 
প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জেতালেন। একমি ল্যাবরেটরিজকে জেতালেন কর্পোরেট 
লিগ। ইচ্ছে ছিলো দেশের কোনো দলের কোচিং করাবেন। কিন্তু তা আর হলো না। শেষ 
পর্যন্ত তাকে আবার দেশ ছাড়তে হলো। তিনি এখন থাকেন মালয়েশিয়াতে। সেখানে থেকে
চিন, ব্রুনাই, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ আরো কয়েকটি সহযোগী ক্রিকেট খেলুড়ে 
দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজ করছেন।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
			&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot; id=&quot;fifth_green_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;fifth_green_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box_container&quot;&gt;
				&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story1703f.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;350&quot; align=&quot;right&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 15px;&quot;&gt;&lt;strong&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;মোহাম্মদ রফিক&lt;/strong&gt;&lt;/font&gt;&lt;br&gt;
১৯৮৫ সাল। বাংলাদেশ স্পোর্র্টিং ক্লাবে একটা ছেলে বাঁহাতি পেসার হিসেবে 
ক্যারিয়ার শুরু করলো। আর ৩ বছরের মাথায়ই ছেলেটা সুযোগ পেয়ে গেলো তখনকার 
অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেট ক্লাব বাংলাদেশ বিমানে। সেখানে পাকিস্তানি 
অলরাউন্ডার ওয়াসিম হায়দার তার বাঁহাতি স্পিন দেখে তাকে বললো পেস বোলিং ছেড়ে
স্পিন বল করতে। দলের জন্য তখন স্পিন বোলিংটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। 
ভাগ্যিস, ওয়াসিম হায়দারের পরামর্শ মেনে ছেলেটা স্পিন বল করতে শুরু করেছিলো।
নয়তো যে বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসের সেরা স্পিনারকেই পেতো না। কারণ, সেই 
ছেলেটাই তো আমাদের মোহাম্মদ রফিক!&lt;br&gt;&lt;br&gt;
১৯৯৭ সালে আমাদের আইসিসি জয়ের অন্যতম নায়কও কিন্তু এই রফিকই। তিনি সেই 
টুর্নামেন্টের সবোচ্চ উইকেট শিকার ছিলেন। মাত্র ১১ গড়ে একাই নিয়েছিলেন ১৯ 
উইকেট। আর তার স্পিন পার্টনার এনামুল হক মনি নিয়েছিলেন ১২টা উইকেট। দুইজন 
মিলে যে কী ভয়ংকর একটা স্পিন অ্যাটাক তৈরি করেছিলেন! প্রতিপক্ষদের তো 
রীতিমতো তারা ভড়কে দিয়েছিলেন! সেমিফাইনালে তো মাত্র ২৫ রানে ৫ উইকেট নিয়ে 
তিনি একাই গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন স্কটল্যান্ডকে। আর ফাইনালে স্টিভ টিকোলোর ১৪৭ 
রান সত্বেও যে ওরা ২৪১ রানের বেশি করতে পারেনি, তারও কারণ ছিলেন তিনিই। 
নিয়েছিলেন ৩টি উইকেট। তারমধ্যে ছিলো টিকোলো আর ওদুম্বের প্রায় দেড়শ রানের 
জুটি ভাঙা ওদুম্বের উইকেটটিও। আর পরে ব্যাটিংয়ে নামার সময় তাকে ওপেনিংয়ে 
পাঠানো হয় কেনিয়ান বোলারদের বেধড়ক পেটানোর জন্য। আচ্ছা, এটা তো জানোই যে 
রফিক মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবেও খুব জনপ্রিয় ছিলো। একবার তো টেস্টে তিনি 
এক ওভারে কোনো রান করেননি দেখে ধারাভাষ্যকাররা যাকে বলে রীতিমতো অবাকই হয়ে 
গিয়েছিলো। ‘রফিক মেডেন ওভার দিলো!’ তবেই বোঝো, রফিক কেমন মারকুটে 
ব্যাটসম্যান! আর সেদিন তো ওপেনিংয়ে নেমে রফিক দুইটা বিশাল বিশাল ছক্কাই 
মেরে দিলো। মাত্র ১৫ বলে করলো ২৬ রান।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
কেনিয়ার সঙ্গে আমাদের প্রথম ওয়ানডে জয়ের কথা বলেছি না? সেই ম্যাচে ম্যান অফ
দ্য ম্যাচ কে হয়েছিলো জানো? আর কে, আমাদের রফিক। সেদিন ওপেনিংয়ে নেমে 
কেনিয়ান বোলারদের পিটিয়ে আধমরা করে ৭৭ রানের একটা দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেছিলেন
তিনি। পরে আবার বোলিংয়েও নিলেন ৩ উইকেট। আর কে হবে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ, 
বলো?&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story2103.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;300&quot; align=&quot;left&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;
&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;ঐ মারকুটে ব্যাটিং আর কিপটে বোলিংয়ের জন্য তিনি ছিলেন বিখ্যাত। আর সেটাই 
তার কাল হয়ে দাড়ালো। তার গায়ে ‘ওয়ানডে স্পেশালিস্ট’র তকমা লেগে গেলো। প্রথম
টেস্টে দলে থাকলেও পরে আর টেস্ট দলে তার জায়গাই হচ্ছিলো না। টেস্ট দলে 
আবার জায়গা পেলেন ২০০২ সালে, দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে 
সিরিজে। আর প্রথম দানেই কেল্লা ফতে। প্রথম সুযোগেই গুণে গুণে ৬টি দক্ষিণ 
আফ্রিকান উইকেট পুরলেন ঝোলায়। এরপর থেকেই তিনি ছিলেন বাংলাদেশ দলের 
বোলিংয়ের প্রধান অস্ত্র। শুধু ইনিংসে ৫ উইকেটই নিয়েছেন মোটমাট ৭ বার। একবার
তো অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশকে জিতিয়েই দিয়েছিলেন। আরেকবার তো তার 
বোলিং জাদুতে পাকিস্তানকে বাংলাদেশ হারিয়েই দিচ্ছিলো। সেই টেস্টের শেষে তো 
সুজন আর আশরাফুল মাঠ থেকে বের হয়েছিলো কাঁদতে কাঁদতে। আমাদের প্রথম টেস্ট 
জয় যে হাতের মুঠোতে এসেও বেরিয়ে গেলো! সেদিন অবশ্য রফিক দেখিয়ে দিয়েছিলো, 
কিংবদন্তী ক্রিকেটাররা কতোটা উদার মনের হয়। পাকিস্তান তখন দ্বিতীয় ইনিংসে 
ব্যাট করছে। ওদের ৯ উইকেট পড়ে গেছে। বাংলাদেশের জিততে লাগে আর মাত্র ১টা 
উইকেট। ব্যাটিংয়ে ইনজামাম, আর নন-স্ট্রাইকে উমর গুল। রফিক বল ডেলিভারি 
দেয়ার আগেই ক্রিজ থেকে বের হয়ে গেলো উমর গুল। রফিক কিন্তু তখন 
নন-স্ট্রাইকিং প্রান্তের উইকেট ভেঙে দিলেই গুল আউট হয়ে যায়, আর বাংলাদেশও 
ম্যাচ জিতে যায়। কিন্তু রফিক সেই কাজ করলেন না, তিনি বল না করে উমর গুলকে 
বললেন ক্রিজে ফেরত আসতে। পরে সাংবাদিকরা যখন জিজ্ঞেস করলো, আপনি কেন উমর 
গুলকে আউট করলেন না? রফিক বললেন, আমি চাইনি, আমাদের প্রথম টেস্ট জয়টা এরকম 
খারাপভাবে আসুক। অথচ অলক কাপালির আউটটা কিন্তু ওরা একরকম চুরি করেই 
নিয়েছিলো। ওর ব্যাটে লেগে বল ড্রপ খাওয়ার পর ধরেও ওদের উইকেট কিপার রশিদ 
লতিফ এমনভাবে আবেদন করলো, যেনো বল ড্রপ খায়-ই নি। আর আম্পায়ারও ওর ধোঁকায় 
বোকা বনে দিয়ে দিলো আউট।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
			&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;


	&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
		&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story1703g.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;350&quot; align=&quot;right&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;২০০৭ বিশ্বকাপে রফিক একাই নিয়েছিলেন ৮ উইকেট। আর তাঁরই নেতৃত্বে রাজ্জাক আর
সাকিবকে নিয়ে তৈরি হয়েছিলো এক দুর্ধর্ষ বাঁহাতি স্পিন ত্রয়ী। যাদের কাছে 
নুয়ে পড়েছিলো ভারত আর দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্ধর্ষ ব্যাটিং আক্রমণও। এর আগে 
২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়া বনাম বিশ্ব একাদশের একটা সুপার সিরিজ হয়। আর তাতে 
বিশ্ব একাদশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি। আর ২০০৭ সালে এশিয়া একাদশ
আর আফ্রিকা একাদশের ম্যাচ খেলার সময় তো এশিয়া একাদশের হয়ে ৪ উইকেট নিয়ে 
এশিয়াকে একটা ম্যাচ তিনি একরকম একাই জিতিয়ে দেন।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
			&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
২০০৮ সালে রফিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। আর দক্ষিণ আফ্রিকার 
বিপক্ষে তার শেষ টেস্টেই তিনি নেন তার ১০০তম টেস্ট উইকেট। বাংলাদেশের পক্ষে
টেস্টে ও ওয়ানডেতে ১০০০ রান আর ১০০ উইকেট নেয়া প্রথম অলরাউন্ডারও তিনি। 
ওয়ানডেতে তার মোট রান ১১৯১, উইকেট ১২৫টি। আর টেস্টে তার মোট রান ১০৫৯, 
উইকেট ঠিক ১০০টি।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
তবে রফিক কিন্তু এখনো তার খেলা শেষ করেননি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর 
নিলেও এখনো তিনি জাতীয় লিগে খেলে যাচ্ছেন। গত বছরও তো বিগ বস টি-টুয়েন্টি 
প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে আবাহনীকে এনে দিয়েছেন এক অসম্ভব জয়। সবাই যখন ধরে 
নিয়েছেন, আবাহনী হেরেই গেলো, তখনই তার ব্যাট প্রতিপক্ষ বোলারদের 
দুমড়ে-মুচড়ে দিয়ে আবাহনীকে এনে দিয়েছে এক অভাবনীয় জয়!&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 15px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;</description>
            <pubDate>Tue, 24 Jan 2012 08:01:29 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>মায়া সভ্যতার মায়ায়</title>
            <link>http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/knowledge/মায়া-সভ্যতার-মায়ায়</link>
            <description>&lt;div style=&quot;text-align: center;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt; মায়া 
সভ্যতার লোকেদের, মানে মায়ানদের কথা শুনলে তোমরা এমনই অবাক হবে, ভেবেই কূল 
পাবে না সেই চার হাজার বছর আগে কীভাবে তারা এত উন্নত হয়েছিল? যখন পৃথিবীর 
মানুষরা বাড়িঘরই ঠিকঠাক বানাতে শেখেনি, কেবল আগুন জ্বালিয়ে খাবার সেদ্ধ করা
শিখেছিল, সেই সময় তারা কীভাবে পাথর দিয়ে তৈরি করেছিল বিশাল বিশাল সব 
ঘরবাড়ি! আর সেই সব ঘরবাড়ি কতো বিশাল? তা আজকের দিনের প্রায় বিশ পঁচিশ তলা 
বিল্ডিংয়ের সমান তো হবেই! যখন কেউ লিখতে-পড়তে তো দূরে থাক, অধিকাংশ জাতির 
ভাষাই পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি, তখন তারা তাদের ভাষায় এমনকি একরকম ক্যালেন্ডারও 
বানিয়ে ফেলেছিল। চাঁদ, তারা, গ্রহ-নক্ষত্র নিয়েও তারা পড়াশুনা করত, যাকে 
বলে কিনা জ্যোতির্বিদ্যা। শুধু তাই না, ওরা গান গাইত, কবিতা লিখত; রীতিমত 
সাহিত্য চর্চা করতো! কী অবাক কাণ্ড, তাইনা? আরও একটা মজার কথা কি জানো, 
পুরো আমেরিকা (উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা) মাহাদেশজুড়ে মায়া সভ্যতাই একমাত্র 
প্রাচীন সভ্যতা, যাদের নিজস্ব লেখ্য ভাষা ছিল, যারা আমাদের মতই সুন্দর করে 
পড়তে এবং লিখতে জানতো।
		&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
	


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot; id=&quot;fourth_pest_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;fourth_pest_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box_container&quot;&gt;
				&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;এই মায়া সভ্যতা আমাদের থেকে হাজার হাজার মাইল দূরের আরেক মহাদেশের একটি 
সভ্যতা। তবে বহু দূরের হলে কী হবে, এই সভ্যতার গল্প এতই বিখ্যাত আর মজার, 
সারা পৃথিবীর লোকের মুখে মুখে ফেরে সেই গল্প। এবং যারা দেশে বিদেশে ভ্রমণ 
করে, মানে পর্যটকদের কাছে মায়া সভ্যতার নিদর্শন, মানে মায়ানদের শহর, 
বাড়িঘর, পুরাকীর্তি আর আর সবকিছুই খুবই পছন্দের। এমন ভ্রমণপিপাসু মানুষ খুব
কমই আছেন, যিনি পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়েছেন, অথচ মায়া সভ্যতার নিদর্শন দেখতে 
যাননি। বড় হলে তোমরাও হয়তো একদিন যাবে সেখানে, ওদের অদ্ভ‚ত সব কীর্তিকলাপ 
দেখে বিস্ময়ে বিমূঢ় হবে, আবার খুব মজাও পাবে। তার আগে চলো, আজকে ওদের যতো 
গল্প আছে চটজলদি আজ জেনে নেই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1901_c.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;490&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
মায়াদের দেখতে হলে তোমাদের যেতে হবে সেই সুদূর আমেরিকা মহাদেশে- ব্রাজিল, 
আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, কিউবা, ভেনিজুয়েলা, হন্ডুরাস এইসব দেশে। কী, মনে 
পড়ে গেল ফুটবলের কথা, তাই না? হ্যাঁ, এসব দেশের মানুষজনের প্রিয় খেলা 
ফুটবল। মেক্সিকোতেও ফুটবল সবার প্রিয়। সে যাই হোক, হন্ডুরাস, গুয়াতেমালা, 
এল সালভেদরের উত্তরাংশ, কেন্দ্রীয় মেক্সিকোসহ আরো প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার 
এলাকা জুড়ে ছিল মায়ানদের বসবাস।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
কিন্তু কীভাবে জন্ম হলো মায়া সভ্যতার? কীভাবেই বা এই সভ্যতা সেই আদিম যুগেও
এতো বিকশিত হল, বা উন্নত হলো? এবার এসো সে সবই জেনে নেই। মায়া সভ্যতার 
মানুষজন প্রথম কবে এই এলাকায় এসেছিল তা জানা যায়নি। তবে খ্রিষ্টের জন্মেরও 
প্রায় ২০০০ হাজার বছর আগে, মানে ইংরেজি সাল গণনা শুরুরও প্রায় ২০০০ হাজার 
বছর (খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ সাল) আগের মায়ান ভাষার লেখ্য রূপ পাওয়া গেছে। তার 
মানে, তারা খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ সালেরও বহু আগে থেকে সেখানে বাস করে আসছিল। 
এই সময়ের আগে মায়ানরা ছিল যাযাবর। তারা খাদ্য, পানি এবং আশ্রয়ের জন্য এক 
জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেত। কী অবাক লাগছে না? তোমাদের মনে হয়তো প্রশ্ন 
জাগছে কেন তারা তোমাদের আব্বু আম্মুর মত বাসায়, অফিসে বা বাজারে না গিয়ে 
খাবার আর আশ্রয়ের জন্য এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেত, তাই না? এর কারণ হল,
তখনও পৃথিবীতে কোথাও অফিস কি বাজার তৈরি হয়নি, এমনকি তখনো ঘরবাড়িও তৈরি 
হয়নি। ওই অঞ্চলে মায়ানরাই প্রথম বাড়িঘর তৈরি করে। খ্রিষ্টপূর্ব ১৮০০ সাল 
থেকে তারা ওই অঞ্চলে পশুপালন শুরু করে, আর বানাতে শুরু করে মাটি দিয়ে 
নানারকম তৈজসপত্র, যেমন থালা-বাসন, বাটি, হাঁড়ি-পাতিল প্রভৃতি। ফলে তারা 
পশু থেকে মাংস আর মাটি থেকে তৈরি তৈজসপত্র পেতে লাগলো। ফলে তাদের খাবার আর 
খাবার রাখার পাত্রের আর কোন অভাব রইলো না। যখন খাবারের চিন্তা আর রইলোই না,
তখন আর যাযাবরের মতো বনে-জঙ্গলে এখানে-ওখানে ঘোরাঘুরি করারই বা কী দরকার? 
তারা যাযাবর জীবন ত্যাগ করে ঘরবাড়ি বানিয়ে এক জায়াগাতেই বাস করতে শুরু 
করলো।
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
			&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center;&quot;&gt;


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot; id=&quot;fifth_green_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;fifth_green_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box_container&quot;&gt;
				&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1901_d.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;490&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
এখন তো মাথা থেকে খাদ্য আর বাসস্থানের দুশ্চিন্তা গেল, এবার তারা আরো উন্নত
চিন্তা-ভাবনা করার ফুরসত পেল। তারা মৃতদেহের সৎকার করা শিখলো, মৃতদেহের 
উপর সমাধিও নির্মাণ করতে শুরু করলো। এভাবেই মায়ানরা ধারণা পেয়ে গেল পিরামিড
ও মমি নির্মাণের। মিসরের সুউচ্চ পিরামিড এবং মমির কথা তোমরা সবাই-ই শুনেছ।
একদম সেরকম বিশাল না হলেও সেই ছাঁচের মমি ও পিরামিড তৈরি করতো তারা। &lt;br&gt;&lt;br&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1901_e.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;490&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
২৫০ থেকে ৯০৯ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে তৈরি মায়ানদের অনেক শহর আর সৌধও পাওয়া 
গেছে। তাদের শহরগুলোর নামগুলোও আবার ভীষণ মজার মজার। যেমন ধরো- টিকাল, 
পালেন্ক, কোপান, কালাকমূল, ডসপিলাস, আক্সাকটান, আলটানহা, তারপর বোনামপাক। 
আর তাদের সবচেয়ে বিখ্যাত সৌধটির নাম হল ক্যানচুয়েন। এটিই ছিল তাদের 
রাজপ্রাসাদ, একই সাথে প্রার্থণালয়-ও। তারা একটি পাথরের মূর্তিও তৈরি 
করেছিল, তাদের ভাষায় এই মূর্তিটির নাম ‘টেটান’ বা পাথরের গাছ। এই মূর্তিটি 
ছিল তাদের সকল বীরত্বপূর্ণ কাজ ও সর্বশক্তিমান শাসকের প্রতীক। আচ্ছা, নীল 
বিদ্রোহের কথা শুনেছো না তোমরা? আর সিরামিকের কথাও তো শুনেছো, তোমার 
বাসাতেও কিন্তু সিরামিকের অনেক থালা-বাসনও আছে। এই নীল রং আর সিরামিকের 
প্রচলনও প্রথম করেছিল এই মায়ানরাই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
মায়া সভ্যতা বিখ্যাত হয়ে আছে ওদের স্থাপত্যশিল্পের জন্য, ওদের তৈরি বিশাল 
বিশাল ঘরবাড়ি, ওদের তৈরি পিরামিড আর মূর্তিগুলোর জন্য। এখনও মায়া সভ্যতার 
বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে তাদের তৈরি পিরামিড, ঘরবাড়ি, প্রাসাদ আর 
অট্টালিকা। আচ্ছা, ওদের কয়েকটা বিখ্যাত স্থাপত্যের নাম বলি তোমাদের, শোনো- 
চেচেন ইটজা, নর্থ আ্যাক্রপলিস, টিকাল, গুয়াতেমালা এন্ড বলকোর্ট আ্যাট 
টিকাল, এল মিরাডর।
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
			&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center;&quot;&gt;


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot; id=&quot;sixth_blue_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;sixth_blue_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1901_f.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;490&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
আচ্ছা, এবার বলো তো, মায়ানরা এসব ঘরবাড়ি-পিরামিড-প্রাসাদ কী দিয়ে বানাতো? 
ভাবছো, এ আবার এমন কী কঠিন প্রশ্ন! ঘরবাড়ি আবার কী দিয়ে বানাবো, 
ইট-কাঠ-সিমেন্ট-বালু-রড এসব দিয়েই তো বানাবে। উঁহু, তখন কী আর এসব ছিল 
নাকি? তারা এসব ঘরবাড়ি বানাত লাইমস্টোন নামের এক ধরনের পাথর দিয়ে। এই 
পাথরকে বাংলায় বলা হয় চুনাপাথর। আর সেই পাথরগুলোকে সুন্দর মসৃণ করতে 
ব্যবহার করতো সিমেন্টের মত এক ধরনের পদার্থ। আর সেগুলো দিয়ে ঘরবাড়ি তৈরি 
করতে হাজার হাজার শ্রমিক দিনের পর দিন পরিশ্রম করতো। তবেই না তৈরি হতো অমন 
বিশাল বিশাল আর সুন্দর সুন্দর সব ঘরবাড়ি-পিরামিড-প্রাসাদ-অট্টালিকা।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1901_g.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;490&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
শুধু ওদের ঘরবাড়ি নির্মাণের পদ্ধতিই অদ্ভ‚ত ছিল না, ওদের ভাষাও ছিল অদ্ভূত।
ওরা আমাদের মতো একটার পর আরেকটা বর্ণ লিখতো না, আসলে ওরা লেখার জন্য বর্ণই
ব্যবহার করতো না; ওরা লিখত ছবি বা চিহ্ন দিয়ে। আর লেখার জন্য মায়ানরা 
ব্যবহারও করতো অনেক মজার মজার সব জিনিস। যেহেতু ওরা বর্ণ ব্যবহার করতো না, 
ছবি এঁকে লিখত, তাই ওরা কলম ব্যবহার না করে ব্যবহার করতো তুলি; সত্যি বলতে 
কি, তখন তো আর কলম আবিষ্কৃত হয়নি, যে তোমাদের মতো সুন্দর সুন্দর কলম দিয়ে 
লিখবে! আর তারা তুলিগুলো তৈরি করত পশুর লোম বা পশম দিয়ে, তোমাদের তুলিগুলোর
মত প্লাস্টিক দিয়ে না। &lt;br&gt;&lt;br&gt;
শুধু তাই না, মায়ানরা সেই সময়েই গণিতে বেশ পারদর্শী হয়ে উঠেছিল। অবশ্য 
তোমাদের মতো কঠিন কঠিন অঙ্ক ওরা করতে পারতো না, তখনো গণিতের এতোটা উন্নতিই 
হয়নি! তবে ‘শূণ্য’ আবিষ্কার কিন্তু প্রাচীন গণিতের খুব বড়ো এক আবিষ্কার। আর
এ আবিষ্কারে মায়ানদেরও কিছুটা অবদান আছে। তবে তাদের আবিষ্কৃত ‘শূণ্য’ 
অন্যান্য সভ্যতায় তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি, তাই তারা ‘শূণ্য’-র 
আবিষ্কারকও হতে পারেনি। শুধু গণিতে না, তারা জ্যোতির্বিজ্ঞানেও বেশ অবদান 
রেখেছিল; তারাই প্রথম খালি চোখেই গ্রহ নক্ষত্রদের চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করে 
হিসেব করে তাদের গতি-প্রকৃতি নির্ণয় করেছিল।
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center;&quot;&gt;


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot; id=&quot;seventh_red_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;seventh_red_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1901_h.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;490&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
এতোক্ষণ তো সব মজার মজার তথ্য বললাম, এইবার যেই গল্পটা বলব, সেটা কিন্তু 
মোটেই মজার কোনো গল্প না; বরং এটা বেশ ভয়েরই একটা গল্প। মায়ানরা কিন্তু 
ধর্মের দিক থেকে প্রকৃতি বিশ্বাসী ছিল, মানে ওরা বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তিকে
তাদের আরাধ্য দেবতা ভেবে পূজা করত। আর এই পূজার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল
নরবলি দেয়া; তারা তাদের আরাধ্য দেবতাদের খুশি করার জন্য নরবলি দিত, সোজা 
কথায় মানুষ মেরে ফেলত! আর এই বলি দেয়া হতো তাদের নিজেদের গোষ্ঠীর কাউকে নয়,
অন্য গোত্রের মানুষদের। মায়ানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর চিচেন ইতজা ছিল 
নরবলিরও অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। এই শহরে দুটি প্রধান প্রাকৃতিক জলাধার ছিল,
ওগুলো থেকে পুরো শহরে খাওয়ার পানি সরবরাহ করা হতো। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড়ো 
যেটি, শিনত সাগ্রাড, সেটাতেই বৃষ্টির দেবতার উদ্দেশ্যে নরবলি করা হত। আর এ 
কারণেই এই জলাধারটির আরেক নাম ছিল উৎসর্গের জলাধার। ইশশ্ কী ভয়ংকর, তাই না?&lt;br&gt;&lt;br&gt;
এবার তোমাদেরকে মায়ানদের আরেকটি ভাল দিকের কথা বলি। তারা কিন্তু বেশ চুটিয়ে
ব্যবসা-বাণিজ্যও করতো। আর ওদের বাণিজ্য ছিল মূলত কৃষি নির্ভর; তখন যে 
কল-কারখানা আবিষ্কারই হয়নি! ওদের প্রধান ফসল ছিল- আলু, ভুট্টা, সিম, 
স্কোয়াশ। আর ওরা ব্যবসা-বাণিজ্য করত বিনিময় প্রথায়, কেন? তখনো তো টাকা 
পয়সাই ছিল না। এছাড়া তারা লবন পাথরেরও বিকিকিনি করতো। আর তাদের এ বাণিজ্য 
নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সঙ্গেও তারা 
ব্যবসা-বাণিজ্য করতো।
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;
এভাবে শিল্প-সাহিত্য-স্থাপত্য-ব্যবসা-বাণিজ্য-জ্ঞান-বিজ্ঞানে তারা উন্নতি 
সাধন করেছিল অনেক। কিন্তু কোনো কিছুই চিরদিন থাকে না, সবকিছুই একদিন ধ্বসে 
যায়, ধ্বংস হয়। প্রায় তিন হাজার বছর বীরদর্পে আমেরিকা দাপিয়ে বেড়ানো 
সভ্যতাও একদিন বিপর্যয়ের সম্মুখীন হলো। ৯০০-১০০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মায়ান 
সভ্যতা বিপর্যয়ের মুখে পড়লো। তবে গবেষকগণ ঠিক ঠিক করে বলতে পারেননি, কী 
কারণে মায়া সভ্যতা ধ্বংস হয়েছিল। কেউ বলেন, মহামারীর কারণে, কেউ বলেন, 
জনসংখ্যার তুলনায় খাবারের অপর্যাপ্ততার কারণে, আবার কেউ বলেন, পরিবেশ 
বিপর্যয়ের কারণে একসঙ্গে অনেক মানুষ মারা গিয়েছিল।
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;


	
					আর তারপর থেকেই মায়ানরা বিভক্ত হয়ে যেতে থাকে, অনেক দল অন্যান্য 
জাতিগোষ্ঠীদের সঙ্গে মিশে যেতে থাকে। ১৪৫০ সালে পুরো মধ্য আমেরিকায় বিপ্লব 
সংঘঠিত হয়। তখন মায়ানরা আরো ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে যায়। মায়া সভ্যতার কিছু
 অংশ আবার স্প্যানিশরা দখল করে নেয়। মায়ানরা জ্ঞান-বিজ্ঞান-ব্যবসা-বাণিজ্যে
 উন্নত হলেও সামরিক দিক দিয়ে, মানে অস্ত্র-শস্ত্রের দিক দিয়ে স্প্যানিশরা 
ছিল অনেক এগিয়ে। তাই শক্ত প্রতিরোধের মুখে পড়লেও শেষ পর্যন্ত মায়ানদের 
অঞ্চলগুলো দখল করে নেয় স্প্যানিশরা। তবে মায়ানদের বেশ একটা সুবিধা ছিল, 
ওদের কোনো রাজধানী ছিল না, ওদের প্রতিটি শহরই ছিল 
বিজ্ঞান-সংস্কৃতি-বাণিজ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাই স্প্যানিশদের প্রতিটি মায়ান 
শহরকেই আলাদা আলাদা করে জয় করতে হয়েছে। তাই সময়ও লেগেছে অনেক। শেষমেশ ১৬৯৭ 
সালে এসে পুরো মায়া সভ্যতাই স্প্যানিয়ার্ডদের দখলে আসে।
		&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;
			
				
&lt;/div&gt;&lt;p style=&quot;font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 20px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1901_i.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;490&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
এরপরের ইতিহাস বলবো আরেকদিন। তবে এটুকু বলি, মায়ানরা এখনো পৃথিবীর বুক থেকে
 হারিয়ে যায়নি। ওদের পূর্বপুরুষদের স্থাপনাগুলো যেমন সগৌরবে এখনো দাড়িয়ে 
আছে পৃথিবীর বুকে, বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হয়ে, তেমনি এখনও মধ্য আমেরিকায় প্রায়
 ৬০ লক্ষ মায়ান বাস করছে নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বজায় রেখে। আমরা যেমন 
বাঙালীরা এখনো বাংলা নববর্ষ পালন করি, ওরাও ওদের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মহা 
ধুমধাম করে নববর্ষ পালন করে। তবে নরবলির মতো বর্বর প্রথা অবশ্য বিলুপ্ত 
হয়েছে অনেক আগেই। এখন তারা আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে জীবন যাপন করছে,
 একইসঙ্গে নিজেদের ইতিহাস-ঐতিহ্যও বজায় রেখেছে। নিজেদের পূর্বপুরুষদের 
শিকড়কে, ঐতিহ্যকে তারা হারিয়ে যেতে দেয়নি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;</description>
            <pubDate>Tue, 24 Jan 2012 02:51:44 +0100</pubDate>
        </item>
        <item>
            <title>ইনকাদের হারিয়ে যাওয়া শহর</title>
            <link>http://blogbd.yolasite.com/knowledge/tag/knowledge/ইনকাদের-হারিয়ে-যাওয়া-শহর</link>
            <description>&lt;p style=&quot;background-color: rgb(128, 192, 255); font-family: yui-tmp; color: rgb(255, 255, 255); text-align: center;&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;মাচু পিচু মানে পুরোনো চূড়ো&lt;/font&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;br&gt;
মাচু পিচু! নামটাই কেমন অদ্ভুত, তাইনা? আসলে আজকে আমরা যে সব জিনিসের নাম 
জানবো তাদের সবগুলোর নামই বেশ অদ্ভুত। এমনকি ইনকাদের প্রাচীন এই ভাষাটিরও 
নাম বেশ অদ্ভুত- ‘কুয়েচুয়া’ ভাষা। কুয়েচুয়া ভাষায় মাচু পিচু শব্দের অর্থ 
হচ্ছে ‘পুরোনো চূড়ো’। পাহাড়ের চূড়ায় তৈরি করা হয়েছিলো বলেই হয়তো তারা 
শহরটির এমন নাম দিয়েছিলো। শুনলে অবাক হতে হয়, মাচু পিচু শহরটি নাকি 
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৪০০ মিটার&amp;nbsp; (৭,৮৭৫ ফিট)&amp;nbsp; উঁচুতে অবস্থিত। অর্থাৎ 
কিনা, আমাদের দেশের সর্বোচ্চ চূড়া তাজিনডং-এরও (১২৩১ মিটার) প্রায় দ্বিগুণ
উচ্চতায়! এতো উঁচুতে কিভাবে তারা একটা আস্ত শহর তৈরি করে ফেললো সেটাই 
কিন্তু একটা বিরাট ভাবনার বিষয়। তাও আবার সেই কত্তো বছর আগে। মাচু পিচু 
নির্মিত হয় প্রায় ৫৫০ বছর আগে, ১৪৫০ সালের দিকে। এর একশো বছর পরেই 
স্প্যানিশরা ইনকা সভ্যতা আক্রমণ করে। ধ্বংস করে ফেলে তাদের বেশীরভাগ শহরই। 
কিন্তু কী আশ্চর্যের কথা, ওরা নাকি মাচু পিচু শহরটি খুঁজেই পায়নি! ওরা হয়তো
ভাবতেই পারেনি যে পাহাড়ের এতো উঁচুতে কোনো শহর থাকতে পারে। এদিকে মানুষজন 
না থাকার কারণে শহরটিও ধীরে ধীরে পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। কয়েক শ’ বছর ধরে তো 
মানুষ এই ঐতিহাসিক শহরটিকে খুঁজেই পায়নি। এরপর ১৯১১ সালে হাইরাম বিংহাম 
নামের এক মার্কিন ঐতিহাসিক মাচু পিচু শহরটি আবিষ্কার করেন। সেও এক মজার 
গল্প। আরেকদিন সুযোগ পেলে সেই আবিস্কারের গল্পও তোমাদের কাছে করা যাবে। 
আজকে শুধু মাচু পিচুর গল্পই শোনো।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;
&lt;/p&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;&lt;p style=&quot;background-color: rgb(64, 160, 255); font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1310_i.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;460&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;
&lt;/div&gt;&lt;p style=&quot;background-color: rgb(64, 160, 255); font-family: yui-tmp; color: rgb(255, 255, 255); text-align: center;&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;কোথায় এই হারানো শহর?&lt;/font&gt;&lt;br&gt;
মাচু পিচু যেতে হলে তোমাকে সবার প্রথমে যেতে হবে পেরুতে। শহরটা সে দেশেই 
অবস্থিত কিনা! আন্দিজ পর্বতমালার যে অংশটুকু পেরুতে পড়েছে সেখানকারই এক 
পর্বতের চূড়ায় এর অবস্থান। সেই পাহাড়টির নাম হয়ে গেছে মাচু পিচু। আর শহরটির
অবস্থানও ছিলো খুব সুরক্ষিত। অন্যরা তো এই শহর সহজে খুঁজে পাবেই না, আর 
যদি পায়ও, আক্রমণ করে তেমন সুবিধা করতে পারবে না। পাহাড়ের এক পাশ চূড়া থেকে
একেবারে খাড়া ভাবে ৬০০ মিটার নিচে উরুবাম্বা নদীর পাদদেশে গিয়ে মিশেছে। 
অন্যদিকে হুয়ানা পিচু নামের আরেকটি পর্বত খাড়া উঠে গেছে আরও কয়েক হাজার ফিট
উঁচুতে। সুতরাং দুই দিক দিয়েই শহরটি প্রাকৃতিকভাবেই বেশ নিরাপদ ছিলো। &lt;br&gt;&lt;br&gt;
এতক্ষণে নিশ্চয়ই তোমাদের মনে একটা প্রশ্নের উদয় হয়েছে- কি এমন কারণ ছিলো 
যে, ইনকারা পাহাড়ের ঐ উঁচু চূড়ায় এমন ভয়ংকর একটা জায়গায় এত্তো সুন্দর একটা 
শহর তৈরি করতে গেলো? কি, মাথা চুলকাচ্ছো? আসলে তোমার মতো অনেক বিশেষজ্ঞরও 
বহু বছর ধরেই এভাবে মাথা চুলকাচ্ছে। কিন্তু কেউই একমত হতে পারেনি। হাইরাম 
বিংহাম এবং আরও অনেকের মতে এই সুরক্ষিত শহরটি ইনকাদের ঐতিহ্যগত জন্মস্থান, 
নয়তো সূর্য কুমারীদের পবিত্র কেন্দ্র ছিলো। আবার অনেকের ধারণা, এটি ব্যবহৃত
হতো ভয়ংকর অপরাধীদের জেলখানা হিসেবে! অনেকে আবার এও মনে করেন, এটি আসলে 
ছিলো ইনকা সম্রাটদের একটি অবকাশযাপন কেন্দ্র। বেশিরভাগ মানুষেরও এটাই 
ধারণা। তবে জ্যোতির্মণ্ডলীয় নানা ঘটনা পর্যবেক্ষণের জন্য এই শহরটি খুব 
গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। আর সামরিক দিয়ে যে শহরটি বেশ সুর¶িত ছিলো সে তো আগেই 
বলেছি। ঐ যে, শহরটি যে প্রাকৃতিকভাবেই খুব নিরাপদ ছিলো।&amp;nbsp; 
&lt;/b&gt;
&lt;/p&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
		&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;
	


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot; id=&quot;fourth_pest_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;fourth_pest_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box_container&quot;&gt;
				&lt;div style=&quot;background-color: rgb(64, 160, 255); color: rgb(255, 255, 255);&quot; class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1310_b.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;460&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;মাচু পিচুর তিনটি ভাগ&lt;/font&gt;&lt;br&gt;
এবার চলো, চোখ বন্ধ করে একবার ঘুরে আসি মাচু পিচু শহর থেকে। দেখে আসি কতোটা
সুন্দর ছিলো ইনকাদের এই শহর। প্রত্নতাত্ত্বিকরা মনে করেন, পুরো মাচু পিচু 
শহরটি তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত ছিলো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটির নাম তারা
দিয়েছেন ‘পবিত্র এলাকা’। নাম শুনেই নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো যে, এই জায়গাটি 
ইনকাদের কাছে ছিলো খুবই পবিত্র। পবিত্র হওয়ার কারণও আছে। ইনকাদের ধর্মীয় 
যতো পবিত্র স্থাপনাগুলো, সব যে এই জায়গাতেই ছিলো। সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে 
উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইন্তিওয়াতানা পাথর, সূর্য মন্দির এবং তিন জানালা বিশিষ্ট
ঘর। ইনকাদের সূর্যদেবতা, আর যতো মহান দেবতা ছিলো তাদের প্রতি এই পবিত্র 
স্থাপনাগুলো উৎসর্গ করেছিলো ওরা। আর ওদের পূজা-অর্চনাও ওরা এখানেই সম্পন্ন 
করতো। নিশ্চয়ই কৌতূহল হচ্ছে যে, ইনকারা কোন কোন দেবতার পূজা করতো? বলছি 
শোনো। ইনকাদের প্রধান দেবতা ছিলো সূর্যদেবতা। অর্থাৎ, তারা সবচেয়ে বেশি&amp;nbsp; 
পূজা করতো সূর্যের। আসলে প্রাচীনকালে প্রায় সব অঞ্চলের মানুষেরই প্রধান 
দেবতা ছিলো সূর্যদেবতা, সে মিশরের কথাই বলো, রোমের কথাই বলো, গ্রিসের কথাই 
বলো, আর আমাদের উপমহাদেশের কথাই বলো। আমাদের উপমহাদেশে হিন্দুধর্ম উদ্ভব 
হওয়ার আগে যে লোকজ বা আঞ্চলিক ধর্ম ছিলো, সেখানেও সবচেয়ে বড়ো দেবতা ছিলো 
সূর্যদেবতা।&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;
&lt;p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1310_c.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;460&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
যাই হোক, আমরা মাচু পিচু’র গল্পে ফিরে আসি। মাচু পিচু’র আরেকটি অংশ ব্যবহৃত
হতো জনসাধারণের থাকার জন্য। এই অংশটি শহরের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। সাধারণত 
নিম্নশ্রেণীর লোকজনই এখানে বসবাস করত। এখানকার স্থাপনাগুলোর মধ্যে 
বেশীরভাগই গুদামঘর আর সাধারণ বসতবাড়ি। মাচু পিচু শহরের অন্য অংশটুকু ছিলো 
অভিজাত এলাকা। অর্থাৎ এখানে সব অভিজাত শ্রেণীর লোকজন বাস করতো। এই অংশটুকু 
কিন্তু তুমি খুব সহজেই চিনতে পারবে। একটা ঢালের উপর কয়েক সারিতে অবস্থিত 
এখানকার বাড়িগুলো। মজার ব্যাপার কি জানো, বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষদের জন্য 
ইনকাদের তৈরি ঘরগুলোর চেহারাও ছিলো বিভিন্ন রকম। এই যেমন ধরো, ‘হামাউতা’ বা
জ্ঞানী লোকদের বাড়িগুলোর দেয়াল ছিলো লালচে রঙের। আবার ‘নিউস্তা’ বা 
রাজকুমারীদের ঘরগুলো ছিলো অসম আয়তাকার আকৃতির, মানে আয়তাকার ঘর, কিন্তু 
একেক দেয়ালের দৈর্ঘ্য একেক রকম। এছাড়াও এই এলাকায় খোদাই করা একটা স্মৃতিসৌধ
ছিলো, যার ভেতরে একটা নকশা করা ঘরও আছে। সাধারণত যজ্ঞ আর উৎসর্গ করার কাজে
এ ঘরটা ব্যবহার করা হত।&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;
			&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot; id=&quot;fifth_green_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;fifth_green_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div class=&quot;text_box_container&quot;&gt;
				&lt;div style=&quot;background-color: rgb(64, 160, 255); color: rgb(255, 255, 255);&quot; class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;p style=&quot;background-color: rgb(64, 160, 255);&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1310_d.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;460&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;পাথরের তৈরি ঘরবাড়ি&lt;/font&gt;&lt;br&gt;
ইনকাদের তৈরি ঘরবাড়িগুলোর সাথে কিন্তু আমাদের আজকালকার তৈরি ঘরবাড়িগুলোর 
একদমই মিল খুঁজে পাবে না। যদি মনে করে থাকো যে, ইনকারাও এখনকার মত 
ইট-কাঠ-সিমেন্ট-সুড়কি-কংক্রিট দিয়ে ঘরবাড়ি তৈরি করতো তাহলে কিন্তু একদম ভুল
করবে। আসলে এতো আগে তো ইট-সুড়কি-সিমেন্ট-কংক্রিট আবিষ্কারই হয়নি। তাহলে 
ওরা কি দিয়ে ঘরবাড়ি বানাতো? আসলে ইনকারা তাদের বাড়িগুলো তৈরি করতো পাথর 
দিয়ে। পাথর দিয়ে বাড়ি নির্মাণে ওরা ছিলো খুবই দক্ষ। পাথর বাড়ি বানালো, তা 
না হয় মেনে নিলে, কিন্তু পাথর তো জোড়া দিতে হবে, নাকি? ওরা পাথরগুলো জোড়া 
দিতো কি দিয়ে? কিছু না, স্রেফে কিচ্ছু না! আসলে পাথর দিয়ে বাড়ি তৈরির জন্য 
ওরা পাথরগুলো এতো নিখুঁতভাবে কাটতো যে কোনোরকম বালি, সিমেন্ট বা অন্য কোনো 
কিছু ছাড়াই ওগুলো একদম খাঁজে খাঁজে শক্তভাবে বসে যেতো। আর এই পাথরের 
দেয়ালগুলোর জোড় এতোটাই নিখুঁত যে একটা পাতলা ছুরির ফলাও জোড়গুলোর ভেতর দিয়ে
প্রবেশ করানো যায় না! তাহলেই বোঝো, কি পরিমাণ দক্ষ ছিলো তারা এই কাজে!&amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;
&lt;p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1310_f.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;460&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;ভূমিকম্প সামলাতে যতো কৌশল &lt;/font&gt;&lt;br&gt;
ইনকাদের ঘরবাড়িগুলো দেখলেই বুঝতে পারবে যে ওরা ছিলো এক একজন যাকে বলে পাকা 
ইঞ্জিনিয়ার। মাচু পিচু শহরের বাড়িগুলোই তার বড় প্রমাণ। এটা হয়তো জানো, পেরু
খুবই ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। এখানে প্রায়ই বড় বড় ভূমিকম্পে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি
হয়। এই ব্যাপারটা মাথায় রেখেই ইনকারা অনেক বুদ্ধি করে তবেই ওদের বাড়িগুলো 
তৈরি করেছিলো। সিমেন্টজাতীয় মিশ্রণের গাঁথুনির চাইতে পাথরে পাথর বসিয়ে তৈরি
গাঁথুনি অনেক বেশি ভূমিকম্প প্রতিরোধী। তাই ওরা ওদের গুরুত্বপূর্ণ 
স্থাপনাগুলো এভাবেই তৈরি করতো। আরেকটা আশ্চর্য তথ্য দেই তোমাদেরকে; ইনকাদের
তৈরি বাড়ির দেয়ালগুলোতে তুমি প্রচুর সূক্ষ নকশা দেখতে পাবে। এই নকশাগুলো 
কিন্তু শুধু সৌন্দর্যের জন্যই করা হয়নি, অন্য কারণও আছে। অবিশ্বাস্য হলেও 
সত্যি, এই সূক্ষ নকশাগুলিই ভূমিকম্পের সময় দেয়াল ধ্বসে পড়া অনেকাংশে রোধ 
করে। কি, অবাক হয়ে গেলে নাকি? তাহলেই চিন্তা করো, এই নকশাগুলো তৈরি করতে 
ইনকারা কতোখানি মাথা খাটিয়েছিলো! তার উপর দেখবে যে, সবগুলো দেয়াল একদম সোজা
নয়। দেয়ালগুলোর একটা সারি অন্য সারি থেকে একটুু হেলানো। ভেবো না যে, এগুলো
বাতাসে হেলে পড়েছে। ওরা ইচ্ছে করেই দেয়ালগুলো এভাবে তৈরি করেছে। কেন? এর 
ফলে দেয়ালগুলোর ভারসাম্য রক্ষা হয়েছে, ফলে ভূমিকম্পে এগুলো সহজে ধ্বসে পড়বে
না।&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;
			&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot; id=&quot;sixth_blue_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;sixth_blue_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div style=&quot;background-color: rgb(64, 160, 255); color: rgb(255, 255, 255);&quot; class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;p style=&quot;background-color: rgb(64, 160, 255);&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1310_h.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;460&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;পাথর পাহাড়ে উঠলো কিভাবে!&lt;/font&gt;&lt;br&gt;
এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে ফেলেছো যে, মাচু পিচু শহরের বাড়িগুলো বেশ বড় বড় 
সাইজের পাথর দিয়ে তৈরি। এমনকি, মাচু পিচুতে ওঠার জন্য যে সিঁড়ি, সেগুলোও 
পাথরের। তার উপর বেশ কয়েকটা সিঁড়ি তো আস্ত আস্ত এক একটা গ্রানাইট পাথর 
কেটেই বানানো হয়েছে। এখন নিশ্চয়ই ভাবছো, পাহাড়ের এই এত্তো এত্তো উঁচুতে 
এত্তো বড়ো বড়ো আকারের পাথরগুলো ওরা কিভাবে তুললো? আসলেই তো! কিভাবে তুললো? 
ভাববার মতই একটা বিষয়। এরকম বড়ো বড়ো পাথর পাহাড়ের চূড়ায় তোলা কি আর 
চাট্টিখানি কথা! এর জন্য শক্তিশালী আধুনিক কতো যন্ত্রপাতির দরকার হয়! অথচ 
মেশিন তো দূরে থাক, ইনকারা কখনও তাদের কাজে কর্মে চাকাই ব্যবহার করেনি! 
তাহলে কিভাবে ওরা এতো বড়ো বড়ো আকৃতির এতোগুলো পাথরখণ্ড পাহাড়ের এত্তো 
উঁচুতে উঠালো? সেটি আসলেই একটা রহস্য। বিজ্ঞানীরা এর কোন সুরাহা-ই করতে 
পারেন নি। শেষমেশ তারা ধারণা করেছেন, শত শত শ্রমিককে কাজে লাগিয়ে পাহাড়ের 
ঢাল বেয়ে বেয়ে পাথরগুলোকে উপরে তোলা হয়েছিলো।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;br&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;


	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot; id=&quot;seventh_red_box&quot;&gt;
		&lt;div id=&quot;seventh_red_box_inner&quot;&gt;
			&lt;div style=&quot;background-color: rgb(64, 160, 255); color: rgb(255, 255, 255);&quot; class=&quot;text_box&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;ইন্তিওয়াতানা পাথর- পবিত্র পাথর নাকি সূর্যঘড়ি?&lt;/font&gt;&lt;br&gt;
ইন্তিওয়াতানা পাথরের কথা মনে আছে? ঐ যে বললাম, মাচু পিচুর ‘পবিত্র এলাকা’র 
অন্যতম নিদর্শন। কিন্তু কি কারণে এই পাথর পবিত্র এলাকায় স্থান পেলো আর কী-ই
বা এর বিশেষত্ব? বলছি শোনো- যেহেতু পবিত্র এলাকায় অবস্থিত সেহেতু বুঝতে 
পারছো, এই পাথরটি ইনকাদের কাছে ধর্মীয় কারণে খুবই পবিত্র ছিলো। ওদের 
বিশ্বাস অনুসারে, কোনও অনুভূতি সম্পন্ন মানুষ যদি এই পাথরে তার কপাল ঘষে 
তাহলে সে আধ্যাত্মিক জগৎ দেখতে পাবে। অর্থাৎ, তুমি যদি এই পাথরে তোমার 
কপালটা একটু ঘষে দাও, তাহলে তুমি অন্য এক জগতে পৌঁছে যাবে। হয়তো তুমি তোমার
অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎও দেখতে পাবে। এমনটি হলে তো সত্যি খুব মজার বাপার, 
তাই না? দক্ষিণ আমেরিকার মানুষ যে কয়েকটি পাথরের পূজা করতো বা এখনও করে 
সেগুলোর মধ্যে ইন্তিওয়াতানা পাথর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তবে ইনকা সভ্যতা 
আক্রমণের সময় স্প্যানিশরা বেশীরভাগ পবিত্র পাথরই ধ্বংস করে ফেলে। কী খারাপ 
কথা! ওগুলো থাকলে কত্তো ভালো হতো। ওই সব পাথর দেখতে দেখতে প্রাচীনকালের এই 
সব গল্প শুনতে কতোই না ভালো লাগতো! &lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;
&lt;p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1310_g.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;460&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
তবে বেঁচে গেছে মাচু পিচুর ইন্তিওয়াতানা পাথর। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো কেন? 
আরে! স্প্যানিশরা তো মাচু পিচু শহরটিই খুঁজে পায়নি। তাহলে আর ইন্তিওয়াতানা 
পাথর কিভাবে খুঁজে পাবে বলো? পাহাড়ের চূড়ায় নির্মিত হওয়ার কারণেই ধ্বংসের 
হাত থেকে বেঁচে গেছে এই পাথর। তবে ইন্তিওয়াতানা পাথরের কিন্তু আরেকটি 
বিশেষত্ব আছে। ইন্তিওয়াতানা পাথর আসলে একটি ‘মহাকাশ ঘড়ি’। মহাকাশ ঘড়ি কি 
বুঝতে পারছো না? দাঁড়াও, এই ঘড়ির আরেকটা নাম আছে- সূর্যঘড়ি। আকাশে সূর্যের 
বিভিন্ন অবস্থানের কারণে এই পাথরের ছায়ার পরিবর্তন দেখে সময় নির্ণয় করা 
হতো। তখন তো আর ঘড়ি ছিলো না যে সময় দেখতে চাইলেই চট করে ঘড়ির ডায়ালে দেখে 
নেবে। তাই আগে এরকম সূর্যঘড়ি তৈরি কর হতো। আমাদের দেশেও এরকম অনেকগুলো 
সূর্যঘড়ি আছে। আর জাদুঘরগুলোতে তো আছেই। দেখতে চাইলে আগারগাঁয়ের বিজ্ঞান 
জাদুঘরেই যেতে পারো। যাই হোক, মাচু পিচুর এই ইন্তিওয়াতানা পাথরের কিন্তু 
আরেকটা মজা আছে। ১১ নভেম্বর ও ৩০ জানুয়ারি- বছরের এই দু’দিনের ঠিক মাঝামাঝি
সময়ে, মানে ঠিক দুপুর ১২টায়, সূর্য ইন্তিওয়াতানা পাথরের একেবারে ওপরে 
থাকে; ফলে এর কোনও ছায়াই তৈরি হয় না! একারণেই এটিকে বলা হয় ‘সূর্যের আঁকড়া 
বিন্দুও’। অর্থাৎ যেটি কিনা সূর্যকে আঁকড়ে ধরে রাখে। এই বিশেষত্বের কারণেই 
স্থানীয় উপকথায় বলা হয় যে, এই পাথর নির্মাণ করাই হয়েছিলো সূর্যকে আটকে 
রাখার জন্য। যদিও প্রকৃতপক্ষে ব্যাপারটা একদমই সম্ভব নয়। কিন্তু আগে তো 
মানুষ কতো কিছুই বিশ্বাস করতো। তখন তো আর মানুষ এত্তো কিছু জানতো না! 
তখনকার সবচেয়ে জ্ঞানী লোকটিও হয়তো তোমার থেকেও কম জানতো। তাই বলে তাদের 
জ্ঞানকে আবার খাটো করে দেখতে যেও না, ওরা যদি এভাবে জানার চেষ্টা না করতো, 
তাহলে কি আর আজকে মানুষ এই অবস্থানে আসতে পারতো?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;
		&lt;/div&gt;
	&lt;/div&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;


	&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;
		
			
				
					&lt;/div&gt;&lt;p style=&quot;background-color: rgb(64, 160, 255); font-family: yui-tmp; text-align: center;&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;img class=&quot;yui-img&quot; src=&quot;http://kidz.bdnews24.com/images/imgMulrochona/main-story_1310_e.jpg&quot; alt=&quot;&quot; width=&quot;460&quot; align=&quot;top&quot; border=&quot;1&quot; hspace=&quot;5&quot;&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div style=&quot;text-align: center; font-family: yui-tmp;&quot;&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;font style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;মাচু পিচুর যতো স্বীকৃতি&lt;/font&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
মাচু পিচু শহরকে মানুষের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করার জন্য পেরু সরকার ১৯৮১ 
সালে এটিকে ‘সংরক্ষিত ঐতিহাসিক এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করে। আর ১৯৮৩ সালে তো 
ইউনেস্কো মাচু পিচুকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ হিসেবেই ঘোষণা করেছে। আর 
২০০৭ সালে তো রীতিমতো পৃথিবীর মানুষের ভোট নিয়ে ঘোষণা করা বর্তমান পৃথিবীতে
 টিকে থাকা ৭ আশ্চর্যের তালিকাতেই নাম উঠে যায় মাচু পিচুর। এখন এতো সুন্দর 
একটা জায়গা যদি মানুষের অত্যাচারে ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে নিশ্চয়ই খুব দুঃখের 
বিষয় হবে, তাইনা? আর অতিরিক্ত মানুষের আনাগোনার কারণে মাচু পিচু কিন্তু 
সত্যি এখন হুমকির মুখেই আছে। এজন্য ২০০৮ সালে ওয়ার্ল্ড মনুমেন্টস ফান্ড 
মাচু পিচুকে ‘বিশ্বের সবচাইতে বিপন্ন ১০০টি স্থান’ এর তালিকাতেও রেখেছিলো। 
তবে, পেরুর সরকার কিন্তু মাচু পিচুর অনেক যত্ন-আত্তিও করছে। &lt;/span&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14px;&quot; tag=&quot;span&quot; class=&quot;yui-tag-span yui-tag&quot;&gt;
কি, মাচু পিচুর গল্প শুনে ওখানে যেতে ইচ্ছে করছে নাকি? গেলে কি মাচু পিচুর 
অমীমাংসিত রহস্যগুলোর সমাধান করতে পারবে? না পারলেই বা কি! রহস্য থাকলেই না
 মজাটা আরো বেশি জমে। তখন মাঞ্চ আর অ্যাডভেঞ্চার- তিনে মিলে একদম 
জম্পেশ মজা হয়। আর এই তিনটা একসঙ্গে পেতে চাইলে মাচু পিচু কিন্তু খুবই 
লোভনীয়। আর তাই তো মাচুরহস্য, রো পিচু মানুষের এত্তো প্রিয়।&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;b style=&quot;font-size: 14px;&quot;&gt;
&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;</description>
            <pubDate>Tue, 24 Jan 2012 02:53:03 +0100</pubDate>
        </item>
    </channel>
</rss>
