আপনার ইয়াং লুকের জন্য প্রস্তুতি
Posted by fahim shakil on Tuesday, January 3, 2012
Under: জিবনের জন্য
চিরযৌবন ধরে রাখতে চান? আপনার বয়স কত? আপনি কি লক্ষ্য করে দেখেছেন, আপনার বাল্যবন্ধু বা আপনার
বয়সী ব্যক্তিদের ঠিক দেখতে কেমন লাগছে? তাদের দেখলে কি তাদের সঠিক বয়স কত
তা বোঝা যায়? এক বয়সের হলেও সবাইকে কি একরকম লাগে? আপনাদের মধ্যে অনেককে
দেখে হয়তো মনে হয় সে এখনও কলেজে পড়ুয়া, আবার কাউকে দেখে হয়তো মনে হয় সে
প্রায় চল্লিশের কাছাকাছি? বায়োলজিক্যাল এজ সব সত্যি বলে দেয়। এর দ্বারা
বোঝা যায় আপনার শরীর কতটা পুরনো হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ধারণের পদ্ধতি
মানুষের দেহে তার বয়সের প্রভাব ফেলে। আপনার পরিচিত কারও যত বয়স তার থেকে
তাকে দেখতে যদি আরও কম বয়সের লাগে তাহলে বুঝতে হবে তার জীবন ধারণ পদ্ধতি
অনেক উন্নত। কিন্তু তাতে আপনি দুঃখিত হবেন না। অসম্ভব কিছুই নয়। এখন থেকে
চেষ্টা করে দেখতে পারেন। আপনার জীবনশৈলী পরিবর্তন করে দেখুন আপনার বয়সও কম
দেখাতে পারে। এর জন্য আপনাকে জীবন ধারণের পদ্ধতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে
বিশেষজ্ঞের মতামত মেনে চলতে হবে। কীভাবে আপনি আপনার ইয়াং লুকের জন্য
প্রস্তুতি নিতে পারেন তার সম্পর্কে কিছু ধারণা দেয়া হলো— — প্রতিদিন
খাবারের তালিকায় টমেটো রাখুন। নিয়মিত টমেটো খাওয়ার অভ্যাস পুরুষের বর্তমান
বয়স থেকে ১.৯ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ০.৮ বছর কম বয়সী দেখায়। — প্রতিদিন
অ্যাসপিরিন পিল খাওয়ার অভ্যাস প্রায় ২.২ বছর কম করে দেখাতে সাহায্য করে। —
প্রতিনিয়ত নির্দিষ্ট সঙ্গীর সঙ্গে শারীরিক মিলন ২ থেকে ৮ বছর বয়স কম করে
দেখায়। — প্রতিদিন খোলা পরিবেশে আধা ঘণ্টা নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস আপনার বয়স
প্রায় ১.৬ বছর কম করে দেখাতে সাহায্য করে। — প্রতিদিন নিয়মিত ৩০ মিনিট
ব্যায়ামাভ্যাস করলে বয়স প্রায় ১.৬ বছর কম দেখায়। — প্রতিদিন চকলেট খাওয়া
খুব ভালো এবং তা আপনার বয়স ১.৩ বছর কম করে দেখায়। — প্রতিদিন ৫ রকমের ফল
খাওয়ার অভ্যাস আপনার জীবনে ১.৪ বছর যোগ করে। — নিয়মিত যে কোনো ধরনের বাদাম
খেলে আপানার জীবনকাল আরও ৩ বছর বাড়তে পারে। — প্রতিদিনের খাদ্য তালিকাতে
নড়রষবফ বা steamed মাছ রাখলে তা আপনার বয়স ৩ বছর কম করে দেখায়। —
প্রতিদিনের সঠিক খাদ্যাভ্যাস আপনার যা বয়স তার থেকে অন্তত ৩.৩ বছর কম করে
দেখায়। — আপনি প্রাণ ও মন খুলে হাসতে পারলে তা আপনার জীবনকাল বাড়ায় প্রায়
১.৭ থেকে ৮ বছর। — মাল্টি ভিটামিনরূপে ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ করা ১.২ বছর বয়স
কম করে দেখায়। — ক্যালসিয়াম জাতীয় খাদ্য ০.৫ বছর বয়স কম দেখায়। — ভিটামিন
জাতীয় খাবার প্রচুর পরিমাণে খেলে ০.৪ বছর কম দেখায়। — আপনি নিয়মিত দাঁতের
যত্ন নিলে বা প্রতি ছয় মাসে ডেনটিস্টের কাছে গেলে অর্থাত্ দাঁতের সঠিক
দেখাশোনা আপনার বয়স প্রায় ৬.৪ বছর কম করে দেখাতে সাহায্য করে। — প্রতিদিন
সকালে নিয়মিত ব্রেকফাস্ট ১.১ বছর কম করে। — আপনার হাত পরিষ্কার রাখার বা
হাত ধোয়ার অভ্যাস আপনাকে ০.৪ বছর কম বয়সের দেখায়। — রাতে খুব ভালো ঘুম,
মহিলাদের জন্য কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা পুরুষদের জন্য কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা, তাদের
জীবনকাল কম করে ৩ থেকে ১২ বছর বাড়িয়ে দেয়। — স্ট্রেস আপনার জীবন থেকে ৩২
বছর কম করে দিতে পারে। — ১৮ বছর বয়সী মহিলা এবং ২১ বছর বয়সে পুরুষের যা ওজন
থাকে সে ওজন সারা জীবন ধরে রাখতে পারলে অর্থাত্ সঠিক ওজন ৬ বছর বয়স কম করে
দেখায়। এভাবে মেনে চলে আপনি দেখুন আপনার সমবয়সী বন্ধুবান্ধব বা পরিচিতদের
মধ্যে আপনাকে সব থেকে কম বয়সী লাগবে। (ইন্টারনেট অবলম্বনে) ডায়াবেটিস
প্রতিরোধে মসলা মধুমেহ বা ডায়াবেটিস রোগের চিকিত্সার ব্যবস্থা চিকিত্সা
শাস্ত্রের নানা দিকে নানাভাবে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। কিন্তু আমাদের দৈনন্দিন
জীবনে আমরা যে খাবার খেয়ে থাকি তার মধ্যে ব্যবহৃত কিছু মসলা দ্বারাও এই
রোগ থেকে নিবৃত্তি পাওয়া সম্ভব। যেমন— হলুদ : ডায়াবেটিসের রোগী নিয়মিত
প্রতিদিন ১/২ চামচ হলুদ খেলে উপকার পাবেন। হলুদ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বাড়ায়। নিয়মিত এর ব্যবহার রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যে কোনো ঘা বা
কোনো ধরনের আঘাত তাড়াতাড়ি সেরে যায়। অভ্যন্তরীণ ক্ষতও হলুদের দ্বারা সেরে
ওঠে। তেজপাতা : তেজপাতাও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে। ১/২ বা ১
চামচ তেজপাতার গুঁড়ো পানিতে ভিজিয়ে তা সারারাত রেখে দিন, সকালে খালি পেটে
ওই পানি ছেঁকে নিয়ে পান করলে শরীরে শর্করার মাত্রা সঠিক থাকে। কাঁচামরিচ :
প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে দুই থেকে তিনটি কাঁচামরিচ খেলে ডায়াবেটিস থেকে
রক্ষা পাওয়া যেতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা খাবারের সঙ্গে
কাঁচামরিচ খেলে তাদের সমস্যা কম হতে পারে এবং রোগের সমাধানও সম্ভব হয়ে ওঠে।
কাঁচামরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকে, যার দ্বারা পাচনতন্ত্রের কাজ
ভালো হয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। আমলকি : আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে
আমলকির ব্যবহার দেখা গেছে। আমলকিকে আয়ুর্বেদে যৌবনবর্ধক হিসেবে উল্লেখ করা
হয়েছে। প্রতিদিন ১/২ চামচ আমলকির গুঁড়ো হলুদের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে দাঁত
মজবুত হয়, শিরা ও ধমনীতে রক্তপ্রবাহ সঠিক থাকে। চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো
থাকে এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আমলকি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
সাহায্য করে। এই রোগের ক্ষেত্রে আমলকির ব্যবহার রোগ কমাতে সাহায্য করে।
ডায়াবেটিস রোগ শারীরিক দিক থেকে নানা ধরনের ক্ষতি করে থাকে। এই রোগের
প্রভাবে মানুষ ক্রমে দুর্বল হয়ে যায়। নিয়মিত চিকিত্সা এই রোগের জন্য খুবই
জরুরি। এছাড়াও রোগী তার খাদ্যের মধ্যে নিয়মিত এই মসলা ব্যবহার করলে বা
উল্লিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করলে এই রোগ থেকে নিরাময় পেতে পারে। খুব বেশি
পরিমাণে কোনো কিছু ব্যবহার না করে সঠিক মাত্রায় তা ব্যবহার করলে শরীর সুস্থ
ও স্বাভাবিক থাকবে। যৌন উত্তেজনার ধারা নারী পুরুষের যৌন উত্তেজনার ধারা
পৃথিবীব্যাপী একই রকম। অর্থাৎ পৃথিবীর যে কোনো দেশে নারী পুরুষ একই রকমভাবে
যৌন উত্তেজিত হয় এবং যৌনমিলনে অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন
আলোচনা যৌনতার ব্যাপারটি উল্লেখ হয়ে থাকে। পৃথিবীব্যাপী যৌনতার উপর গবেষণা
এবং আলোচনা হয় ব্যাপকভাবে । আমেরিকান বিখ্যাত কিনসে ইনস্টিটিউট নারী
পুরুষের যৌনতার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে। যৌনতা হলো নারী পুরুষের দৈহিক
মিলন প্রাণিজগতের অন্যান্য প্রাণীর মতো নারী পুরুষের যৌনতা বাহ্যিকভাবে
প্রকাশ্য নয়। বরং নারী পুরুষের যৌনমিলন এবং যৌনতা সংঘটিত হয় সুস্থ সুন্দর
পরিবেশে। পৃথিবীর আদি থেকে চলে আসা একটি সংস্কৃতি হলো যৌন সংস্কৃতি। এই
যৌন সংস্কৃতি প্রতিটি পুরুষ এবং নারীর জীবনের খুব আদৃত একটি অংশ। নারীর
সাথে পুরুষের দৈহিক মিলনের সময় নারী উত্তেজিত হয় এবং পাশপাশি পুরুষের ও
যৌন উত্তেজনা আসে। পুরুষের স্পর্শের প্রথম থেকেই নারীর ভেতরে যৌন উত্তেজনার
সৃষ্টি হয়। নারীর শরীর কেপে উঠতে পারে যা খুব সামান্য সময় ধরে অনুভূত
হয়। যৌনমিলনের সময় নারীর দেহ এবং পুরুষের দেহের প্রধান যে পরিবর্তন হয়
তাহলো উভয়েরই শারীরিক চাপ বৃদ্ধি পায়, রক্তের চাপ বাড়ে, শ্বাস প্রশ্বাস
দ্রুত হয় এবং উভয়েই চূড়ান্ত আনন্দের জন্যে অস্থির হয়ে উঠে । নারীর যৌন
জীবন পুরুষের চেয়ে অপোকৃত । নারীর যৌনতার সংস্কৃতিতে বোধ করি পুরুষের
চেয়ে আলাদা। নারীর যৌন আগ্রহ, ইচ্ছা যৌনতার চরম আনন্দ ইত্যাদি প্রতিটি
পর্বে পুরুষের চেয়ে স্বতন্ত্র অবস্থার সৃষ্টি করে। যৌন উত্তেজনার সময়
অন্যান্য যে পরিবর্তনগুলো লণীয় হয় সেগুলো হলো। স্তনবৃন্তের ফুলে উঠা।
স্তনের আকার বড় হয়ে যাওয়া। শরীরে যৌন ঝলকের উপস্থিতি। নারীর ক্ষেত্রে
কিটোরিসের রঙের পরিবর্তন। পুরুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গের মাথার রঙের পরিবর্তন।
প্রথম যুগের মানুষের যৌনতার্ ছিল কেবল মাত্র ক্ষণিক আনন্দের একটি উৎস।
পরবর্তী সময়ে যৌনতার ব্যবহারিক পরিবর্তন দেখা দেয়। এক সময়ে এক নারী একই
সাথে একই পরিবারের সবার সাথে যৌনমিলনে রত হতে পারতো। এটি ছিল যৌনতার
সংস্কৃতি। তখন কার সমসাময়িক যৌন সংস্কৃতি ছিল এই রকম। যুগে যুগে যৌন
সংস্কৃতি পরিবর্তিত হয়েছে। আবার যৌতার ব্যাপারে ধর্মীয় নানা মতবাদের
প্রভাবে যৌনতার বিষয়টি একেক সমাজে একেক ভাবে অনুশীলন করা হয়ে থাকে।
বর্তমান সময়ে এই নতুন যুগে যৌনতার ব্যাপারটি নানা দিক থেকে আধুনিক হয়ে
উঠেছে বর্তমান সময়ে যৌনাসনের পাশাপাশি যৌন ক্রীড়াতে নানা পরিবর্তন ছন্দ
দেখা যায়। নারী, পুরুষের ক্ষেত্রে যৌনতার আবহ একেক না্রী পুরুষের
ক্ষেত্রে একেক রকম । যখন কোনো প্রেমিকের সাথে যৌনমিলন বা ডেটিং করে তখন
যৌতার ব্যাপাটি যে ভাবে হতে পারে ঠিক সেভাবে স্বামী-স্ত্রীর যৌনতার
ব্যাপাটি সংঘটিত হয় না। একই নারী যখন বহু পুরুষের সাথে যৌনমিলন বা যৌন
সর্ম্পক স্থাপন করে, তখন ও আবার যৌনতার সংস্কৃতি ভিন্ন হয়। বিভিন্ন সময়ে
বিভিন্ন নারী পুরুষের ক্ষেত্রে যৌনতার ব্যাপাটি সব সময় একই ধারায় এগিয়ে
চলে না । যৌনমিলনের ব্যাপারে বা যৌনতার ব্যাপারে সব নারীরেই ইচ্ছা একই রকম
হয় না। এটিও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কোনো কোনো নারী অত্যাধিক
যৌনকাতর । আবার কোনো কোনো পুরুষের যৌন ইচ্ছা থাকে বেশি অর্থাৎ যৌনতার
ব্যাপারে তাদের আগ্রহ এবং যৌন মিলনের ইচ্ছা থাকে ব্যাপক। আবার কোনো কোনো
নারী-পুরুষ সুস্থ যৌনতার পপাতি এবং তারা প্রয়োজন মাফিক যৌনমিলন পছন্দ করে।
আবার কিছু কিছু নারী-পুরুষ যৌনতাকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে। অনেকের এ
ব্যাপারে ভীতিও থাকে। যৌনতার ব্যাপার বিশেষ করে নারী, পুরুষের যৌনতার
ব্যাপারে উৎসাহ এবং আগ্রহ যদি না থাকে তবে চরমপুলক আসতে পারে না। বহু নারী,
পুরুষকে এমন অভিযোগ করতে শোনা যায় যে তারা যৌন জীবনে সুখী নয়। মনোরোগ
বিশেষজ্ঞরা গবেষণায় দেখেছেন, যে নারীরা পুরুষ স্বামীর সাথে বা স্ত্রীর
সাথে কিংবা যৌন সঙ্গীর সাথে যৌনমিলনের সময় উৎসাহী বা আগ্রহী হয়ে উঠে না,
তারা তুলনামূকভাবে কম যৌন আনন্দ লাভ করে। অথচ তারা এই বিষয়টি উপলব্ধি করতে
পারেনা। যৌনতা এবং যৌন সর্ম্পক নারী পুরুষের জীবনের জন্য একটি প্রয়োজনীয়
এবং জীবন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। পুরুষ এবং নারীর যৌনতা সাথে সম্পর্কের ফলে যৌন
আনন্দ যেমন লাভ করে তেমনি শিশুর জন্ম দিতে পারে । যৌন সম্পর্ক তৈরীর
প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না যৌনমিলনের জন্য প্রয়োজনীয় কি কি
বিষয় সম্পর্কে জানা উচিত। মানুষের শরীরের বাহ্যিক ইন্দ্রিয়ের গঠন এবং
ভেতরের ঘঠন এক নয়। আবার পুরুষ এবং নারীর শরীরের গঠনে ও কিছুটা পার্থক্য
রয়েছে । নারীর শরীর পুরুষের চেয়ে অপোকৃত স্পর্শ কাতর। নারীর কোনো অঙ্গে
স্পর্শের ফলে শরীর যৌন অনুভূতি এবং সাড়া জাগাতে পারে পুরুষকে সে বিষয়ে
জানতে হবে। তেমনি আবার নারীরও জানা উচিত পুরুষের কোন কোন স্থানে যৌন
অনুভূতি ছড়িয়ে রয়েছে। এই ক্ষেত্রে উভইকে অর্থ্যাৎ নারী এবং পুরুষকে
উভয়ের দেহ গঠন এবং উভয়ের শরীর সম্পর্কে একটি ধারণা থাকা উচিত। মানুষের
যৌন ইচ্ছার বিশ্লেষণ কি? যখন কোনো পুরুষ যৌন চিন্তা বোধ করে তখনই তাদের
ভেতর এক ধরণের যৌন অনুভূতি কাজ করতে থাকে। পুরুষের লিঙ্গ দৃঢ় হতে থাকে এবং
নারীর যোনি কিছুটা আর্দ্র হতে শুরু করে । যৌন ইচ্ছার জন্য সবচেয়ে বেশি
কাজ করে মানুষের মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম মানুষের যৌন
অনুভূতিকে প্রথম জাগিয়ে তোলে। মস্তিষ্কের সেরেব্রাম অংশে যৌন চিন্তা উদিত
হয়। তারপর এই চিন্তার সূত্র ধরে তা তাড়িত হয়ে পুরুষের অথবা নারীর
যৌনাঙ্গে অনুর্বর হয়। নানা ধরনের যৌন চিন্তা, যৌন স্মৃতি, যৌন ইচ্ছাকে
চাঙ্গা করতে থাকে এবং যৌন অনুভূতি এই সময়ে বেড়ে যেতে থাকে। এই সময়ে
পুরুষ ও নারী ইচ্ছার পূর্ণতা খুঁজে পায় এবং যৌনমিলনের আগ্রহী হয়ে উঠে।
তবে নানা বিধ শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা পুরুষ কিংবা নারীর ইচ্ছা এবং যৌন
শক্তিকে কমিয়ে দিতে পারে। যৌন উত্তেজনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উভয়ের
শরীরেই এক প্রকার অস্থিরতা দেখা দেয় যা চরমপুলকের বিষয়টি হলো পুরুষের
ক্ষেত্রে বীর্যপাত এবং নারীর ক্ষেত্রে চূড়ান্ত আনন্দ লাভ। পুরুষের লিঙ্গের
ণস্থায়ী স্পর্শে নারীর ভেতর যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় তা পুরুষ যেমন উপভোগ
করে , নারীও তেমনি উপভোগ করে। অনেক নারীর যৌনান্দ আরো তীব্র হয় কিটোরিসের
স্পর্শের দ্বারা। পুরুষ ওরাল সেঙের মাধ্যমে হয়তো এটা করতে পারে।
In : জিবনের জন্য