Bangla Blog


মজার হবি ইলেক্ট্রনিক্স [পর্ব-০২] :: রেজিস্টরের কালার কোড

January 11, 2012

আসসালামুআলাইকুম, সবাইকে আগাম Happy New Year 2012 এর শুভেচ্ছা। একটি কথা বলি আমরা যারা জব করি

তাদের টিউন লেখার মত সময় হয়ে উঠে না। তাই একটি টিউন করার পর পরবর্তী টিউন করতে সময় লেগে যায়

অনেক তাই আপনাদের কাছে আন্তরিক ভাবে ক্ষমা চেয়ে চাইছি। যাই হোক এবার শুরু করি---

আজ তুলে ধরব “মজার হবি ইলেক্ট্রনিক্স” এর ২য় পর্ব যার টাইটেল হবে “রেজিস্টরের কালার কোড ”। এতে আমরা 

রেজিস্টরের কালার কোডের মাধ্যমে কিভাবে রেজিস্টরের মান বের করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করব।

রেজিস্টরের কালার কোড

এখানে একটি 1k (1000 Ω) রেজিস্টর আছে। চিত্রে লক্ষ করুন রেজিস্টরে মোট ৪টি ব্যান্ড দেখানো হয়েছে (প্রতিটি

কালারকে এক একটি ব্যান্ড বলা হয়)।


এখন খেয়াল করুন উপরে কালার কোডের চার্ট দেয়া আছে। তাতে ১ম ও ২য় ব্যান্ড কে পাশাপাশি রেখে ৩য় ব্যান্ড (এটা

৪ ব্যান্ড এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) অথবা ৪ নম্বর ব্যান্ড (এটা ৫ ব্যান্ড এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) এর সাথে গুন করতে হবে অর্থাৎ

চার্টে  Multiplier খেয়াল করুন ১ম হতে ২য়  অথবা ৩য় ব্যান্ড পর্যন্ত পরিষ্কার ভাবেই বুঝতে পারছেন কারন প্রতিটি

ব্যান্ডের পাশেই কালার-এর জন্য নির্দিষ্ট মান দেয়া রয়েছে। Multiplier ব্যান্ডটি যা হবে তা দিয়ে গুন করে নিতে হবে।

অর্থাৎ উদাহরণ সরূপ চিত্রে চার্টের উপরের 4 band রেজিস্টর খেয়াল করুন এখানে ৪টি ব্যান্ড বা কালার দেয়া আছে ।

তাতে ১মে আছে Green = 5, ২য় তে আছে  Blue = 6 এবং Multiplier আছে Yellow = 10k/10000 Ω অতএব

রেজিস্টর এর মান দাড়ায় 560kΩ


আবার চিত্রে চার্টের নিচের 5 band রেজিস্টর খেয়াল করুন এখানে ৫টি ব্যান্ড বা কালার দেয়া আছে । তাতে ১মে আছে

Red = 2, ২য় তে আছে  Orange = 3 , ৩য় তে আছে Violet = 7 এবং Multiplier আছে Black = 1 Ω অতএব

রেজিস্টর এর মান দাড়ায় 237Ω । সুতরাং ভয় পাওয়ার কোন কারণ নাই এখন যদি 5/4  Band  যাই থাকুক না কেন

কালার কোড কোন ব্যাপার না।


এখন লক্ষ করুন ৪(চার) [এটা ৪ ব্যান্ড এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য] অথবা ৫(পাচ) [এটা ৫ ব্যান্ড এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য] নম্বর

ব্যান্ডটি ব্যবহার করা হয় টলারেন্স নির্ণয়ের জন্য।  আপনাদের এবার মনে প্রশ্ন  জাগতে পারে টলারেন্স কি এটা খায় না

মাথায় দেয়। তাহলে এবার আমরা জানি টলারেন্স কি?

টলারেন্স কিঃ-

রেজিস্টর প্রস্তুতকারক যখন রেজিস্টর তৈরী করে থাকে,তখন তারা রেজিস্টরের সঠিক ভ্যালু বজায় রাখতে পারে না।

এগুলোর মান সবসময় কিছু কম বেশি হয়ে থাকে। তাই একে অনেক সময় +/- ভ্যালুও বলা হয়। ভ্যালুর এই কম বেশি

হওয়ায়ই টলারেন্স। কোন সার্কিট ডিজাইন করার সময় টলারেন্সের ব্যাপারটা মাথায় রেখে সার্কিট ডিজাইন করা হয়।

আপনি রেজিস্টর এর যত মান পাবেন তার সাথে টলারেন্স যা থাকে সেটা 5% or 10% থাকুক তা +/- করে নিয়ে মান

ধরবেন।


রেজিস্টর কালার কোড ক্যালকুলেটর

রেজিস্টর কালার কোড দেখে যাদের রেজিস্টরের মান বের করতে অসুবিধা হয় তারা রেজিস্টর ক্যালকুলেটর ব্যবহার

করতে পারেন। এটা দেখতে  নিচের চিত্রটা দেখুন-


এটি ব্যবহার করা খুব সহজ Windows 95/98/2000/XP/2007/2008 উভয় অপারেটিং সিস্টেমে এটি কাজ করে।

১মে লক্ষ করুন নিচে মোট ৪টি ড্রপ ডাউন মেনু রয়েছে, বা দিক থেকে ১মটি রেজিস্টরের ১ম কালার ব্যান্ড, এরপর ২য়

তারপর ৩য় এবং সর্বশেষ কালার  ব্যান্ডটি হলো রেজিস্টরের টলারেন্স। রেজিস্টরের ৪ নম্বর কালার ব্যান্ডটি সাধারণত

৩টি রং এর হয়ে থাকে (Gold, Silver, Brown) এবং মেনু থেকে কালার পরিবর্তন করা হলে এর উপরের মেনুতে যে মান

থাকে তার পরিবর্তন হবে। উপরে, মাঝখানে যে R Unit  রয়েছে, এটি রেজিস্টরের ইউনিট (ohms, kilo ohms, mega

ohms)। উপরে সবচেয়ে বামপাশে যে ড্রপ ডাউন মেনু রয়েছে এর কাজ হলো রেজিস্ট্ররের কোন একটি ভ্যালু দেয়া। মনে

করুন আপনার 100 ওমসের একটি রেজিস্ট্রর দরকার, কিন্তু আপনি জানেন না এই মানের জন্য রেজিস্ট্ররের কি কি

কালার থাকবে। এক্ষেত্রে আপনি ড্রপ ডাউন মেনু থেকে 100 Select করে  Convert button কিল্ক করুন, দেখবেন নিচের

ড্রপ ডাউন মেনু গুলোতে পর্যায়ক্রমে তিনটি কালার এর নাম সহ রং দেখাচ্ছে। E12/E24 হচ্ছে রেজিস্ট্রর সিরিজ,

বেশীরভাগ ইলেক্ট্রনিক্স সার্কিটে এই সিরিজের রেজিস্ট্রর ব্যবহার করা হয়ে থাকে, সুতরাং এটা যেরকম আছে সেভাবেই

থাকবে। রেজিস্ট্রর কালার বের করার জন্য এখন আর কোন ডিজিটাল অথবা এনালগ মাল্টিমিটার কিংবা কালার কোড

মুখস্থ  করারও দরকার নেই। শুধু মাত্র রেজিস্ট্রর ক্যালকুলেটর সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন যার ফাইল সাইজ

মাত্র 209KB । আর একটি মজার ব্যাপার হলো এটি পোর্টেবল সফট ফলে ইন্সটল করার ঝামেলা মুক্ত। নীচে এর

মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিংক টি দিয়ে দিলাম।

এখানে কিল্ক করুন

(চলবে......)

 

মজার হবি ইলেক্ট্রনিক্স [পর্ব-০১] :: রেজিস্টর

January 11, 2012
আজ যে কম্পোনেন্ট এর উপর লিখব তা হল রেজিস্টর বা রোধ-

রেজিস্টর

এটি ইলেক্ট্রনিক্স এর মুল কম্পোনেন্ট গুলোর একটি। এটি ভোল্টেজ এবং কারেন্টকে সার্কিট বা বর্তনীতে প্রবাহে বাধা প্রদান করে। একটি রে...


Continue reading...
 

সহজে একটি skype দিয়ে ইচ্ছে মত আইডি open করেন আপনার পিসি

January 9, 2012

কেমন আসেন সবাই? এবার অনেক দিন পর কোন পোষ্ট শেয়ার করলাম। আমার হেডিং দেখেই হয়তো অনেকে  বুজতে  পেরেছেন,  বুজতে পারলে আর দেরি কেন দেখেন কত সহজে একটি Skype দিয়ে ইচ্ছে মত আইডি Open করতে পারেন আপনার পিস...


Continue reading...
 

Photoshop ছাড়াই ইচ্ছা মতো আপনার ছবির বেকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করুন আর দেখুন কত মজা!

January 9, 2012

Picture … Guide নামের এই ছোট সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ছবির বেকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে পারবেন। এমনকি এক জায়গার ছবি কেটে নিয়ে অন্য স্থানে জোড়া লাগাতে পারবেন। নিচের ছবিগুলো দে...


Continue reading...
 

পদার্থবিদ ও ইন্জিয়ারদের জন্য দারুন একটা গনকযন্ত্র

January 9, 2012

আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একটা দারুন কনভারটার যা অতি প্রয়োজনীয় বিজ্ঞানের সাথে জ়ড়িত যে কোন ব্যক্তির জন্য ।প্রোগ্রাম টির নাম Uconeer.

remi

Download only 0.5 Mb

কিছু বৈশিষ্ট্য

  • Includes only the practical engineering unit conversions in each category, m...

Continue reading...
 

পাঠ্যবই : ক্লাশ ওয়ান থেকে ক্লাশ টেন

January 9, 2012
ন্যাশনাল কারিকুলাম এন্ড টেক্সটবুক বোর্ড বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত পাঠ্যবইগুলোর অনলাইন সংস্করণ ওয়েবে প্রকাশ করা হয়েছিলো সরকারী উদ্যোগেই । কিন্তু এনসিটিবি এর ওয়েবসাইট-সার্ভার পাঠকদের ...
Continue reading...
 

গুগল সার্চ টিপস – দ্রুত ও নিখুত ফলাফলের কিছু কৌশল

January 9, 2012

গুগল হচ্ছে  বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সার্চ ইঞ্জিন। ৯০% ও বেশি মানুষ ভাল ফলাফলের জন্য শুধুমাত্র গুগলের মাধ্যমে সার্চ করে থাকেন। তবে মাঝে মাঝে এই খোজা খুজিই হয়ে ওঠে মহা বিরক্তিকর। কেননা গুগলের মাধ্য...


Continue reading...
 

Recent Posts